মৎস্য কূটনীতি! পদ্মায় মাছের আকাল, এদিকে দিল্লিতে জমজমাট ভারত-বাংলাদেশ ‘ইলিশ ফেস্ট’

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


শেখ হাসিনার শর্ত ছিল একটাই – তিস্তার পানি দিলে পদ্মার ইলিশও মিলবে। সীমান্তে কাঁটাতারের ফাঁকে নয়। পদ্মা, তিস্তার জল আটকে গিয়েছে কূটনীতির বেড়াজালে। হাসিনার দেওয়া শর্ত এখনও অধরা। তিস্তা ও গঙ্গার জলবন্টন নিয়ে জটিলতা কাটেনি তারেক রহমানের জমানাতেও। ফলে পদ্মার ইলিশও অধরা। এবছর দুর্গোৎসবে রুপোলি শস্য বাঙালির পাতে পড়বে না, তা সাফ জানিয়েছে বাংলাদেশ। আমজনতার পাতে না হোক, দু’দেশের শীর্ষ আধিকারিকরা দিব্যি মজেছেন ইলিশে! দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ‘মৈত্রী’ প্রেক্ষাগৃহে শনিবার হয়ে গেল ‘ইলিশ ফেস্ট’। সকলে মিলেমিশে রুপোলি শস্যের স্বাদ নিলেন।

শনিবার দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ছিল ইলিশময়! তাতে অংশ নেন ভারতের রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সংস্কৃতি জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এদিন ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘আ ফিশ কলড ইলিশ’ নামে একটি বই। ইলিশ ফেস্টের মতো ব্যতিক্রমী আয়োজনে বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সর্ম্পক আরও গভীর ও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদী হাইকমিশনের কর্তারা।

আরও পড়ুন:

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে এতদিন ‘আম কূটনীতি’ চালু ছিল। প্রতি গ্রীষ্মে শেখ হাসিনার নিজের বাপের বাড়ির বিখ্যাত হাড়িভাঙা আম পাঠাতেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। আবার পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁকে পাঠাতেন মালদহের বিখ্যাত আম। একইরকমভাবে ইলিশ অবশ্য তেমন আদানপ্রদান হয়নি সাম্প্রতিক কালে। সময় যত এগিয়েছে, সেই সম্ভাবনা ক্রমশ কমেছে। তবে শনিবার দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ছিল ইলিশময়! তাতে অংশ নেন ভারতের রাজনীতিবিদ, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সংস্কৃতি জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এদিন ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘আ ফিশ কলড ইলিশ’ নামে একটি বই।

এভাবে ইলিশ আতিথেয়তার মাধ্যমে বাংলাদেশ হাইকমিশন তুলে ধরেছে নিজেদের জাতীয় ঐতিহ্য ও বিশ্বখ্যাত স্বাদ। অতিথিদের মুখে মুখে ঘুরছে বাংলাদেশি ইলিশের স্বাদের কথা। ইলিশ ফেস্টের মতো ব্যতিক্রমী আয়োজনে বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সর্ম্পক আরও গভীর ও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদী হাইকমিশনের কর্তারা। কিন্তু প্রশ্ন থাকছে। আমজনতা কবে পদ্মার ইলিশ চেটেপুটে খাওয়ার সুযোগ পাবে? 

অনুষ্ঠানে ‘আ ফিশ কলড ইলিশ’ বইটির মোড়ক উন্মোচন করে হাইকমিশনার মহম্মদ রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, ‘‘প্রকৃত অর্থে ইলিশ বাংলাদেশের পরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই মাছ বাংলাদেশের সমাজ, অর্থনীতির সঙ্গে মিশে আছে। বাংলাদেশে ইলিশ মাছের পাচঁটি অভয়ারণ্য রয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যার ফলে ইলিশের সংরক্ষণ ও উৎপাদন ক্রমশ বাড়ছে।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *