মৌচাকে ঢিল! অবৈধ বালি থেকে কয়লা পাচার, গ্রেপ্তার ‘প্রভাবশালী’ তৃণমূল নেতা

মৌচাকে ঢিল! অবৈধ বালি থেকে কয়লা পাচার, গ্রেপ্তার ‘প্রভাবশালী’ তৃণমূল নেতা

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


অজয় নদ থেকে অবৈধভাবে বালি পাচার থেকে সিন্ডিকেট রাজ। বারবার তাঁর নাম সামনে এসেছে। এবার পুলিশের জালে সেই গোগলা অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি গৌতম ঘোষ। আজ, বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে গ্রেপ্তার করে দুর্গাপুর-ফরিদপুর থানার পুলিশ। ধৃত এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে খনি অঞ্চল থেকে কয়লা কারবার, সন্ত্রাসের অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে ধৃত গৌতমকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় কড়া ভাষায় তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। স্থানীয় নেতৃত্বদের অভিযোগ, অজয় নদে অবৈধ বালি উত্তোলন এবং পাচারের বিশাল নেটওয়ার্কের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ ছিলেন গৌতম ঘোষ। দিনের পর দিন নদের বুক চিরে বালি লুট হলেও প্রশাসনের চোখে তা ধরা পড়ত না।

এই বিষয়ে আরও খবর

অন্যদিকে স্থানীয়দের একাংশের দাবি, একাধিক অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ধৃত গৌতম। আর এর পিছনে তৃণমূলের বড় ভূমিকা ছিল। শুধু বালি নয়, কয়লা পাচার নিয়েও বহুবার বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে প্রভাবশালী এই তৃণমূল নেতার নাম। অভিযোগ, খনি এলাকা থেকে অবৈধভাবে কয়লা সরিয়ে পাচারের সঙ্গে যুক্ত চক্রের উপর তাঁর সরাসরি প্রভাব ছিল। যা নিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল। কিন্তু ধৃত ওই নেতার প্রভাব এতটাই ছিল যে কেউ কোনও কথা বলতে পারতেন না। ভয়ে চুপ থাকতেন।

অন্যদিকে স্থানীয়দের একাংশের দাবি, একাধিক অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ধৃত গৌতম। আর এর পিছনে তৃণমূলের বড় ভূমিকা ছিল। শুধু বালি নয়, কয়লা পাচার নিয়েও বহুবার বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে প্রভাবশালী এই তৃণমূল নেতার নাম।

tmc leader arrested in durgapur area west bengal
ধৃত তৃণমূল নেতা গৌতম ঘোষ। 

এদিকে বিজেপির আরও অভিযোগ, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এবং পরে বিরোধী কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা, মারধর, হুমকি এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার ঘটনায় সক্রিয় ভূমিকা ছিল গৌতম ঘোষের। এক নেতার কথায়, শুধুমাত্র একজন তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি ছিলেন না, এলাকায় গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের মাথা ছিলেন ধৃত ওই তৃণমূল নেতা। তাঁর নিয়ন্ত্রণেই সবটা হতো। রাজ্যে পালাবদলের পরেই বুধবার রাতে গোগলা এলাকা থেকে প্রভাবশালী ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল। সেই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত। প্রমাণ মিলতেই গৌতমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *