মোদি সরকারের ১২ বছর পূর্তি, ‘ডবল ইঞ্জিন’ বাংলায় কী কী পদক্ষেপ গেরুয়া শিবিরের?

মোদি সরকারের ১২ বছর পূর্তি, ‘ডবল ইঞ্জিন’ বাংলায় কী কী পদক্ষেপ গেরুয়া শিবিরের?

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


মোদি সরকারের ১২ বছর পূর্তি। সারা দেশের পাশাপাশি বাংলাজুড়েও একাধিক কর্মসূচি নিল বিজেপি। ৫ জুন থেকে ২১ জুন কর্মসূচি। বাংলায় এখন দল ক্ষমতায়, আর তাই মোদি সরকারের ১২ বছর পূর্তিও হতে চলেছে ধুমধাম করেই। আর এনডিএ সরকারের ১২ বছরে জনগণ ও বিজেপির মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে রাজ্যে বিশেষ জনসংযোগ কর্মসূচিতে দলের সাংসদ ও বিধায়কদের ময়দানে নামাচ্ছে গেরুয়া শিবির। আর এই বিশেষ জনসংযোগ কর্মসূচির কো-অর্ডিনেশনের দায়িত্ব দেওয়া হল প্রাক্তন সাংসদ তথা দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে।

এই বিষয়ে আরও খবর

দলের তরফে বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে গিয়েছে সার্কুলার। সার্কুলারে লেখা হয়েছে- বিশ্বাসের, উন্নয়নের ও জনকল্যাণের বারো বছর। বিশেষ জনসংযোগ কর্মসূচিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: ১) প্রত্যেক সাংসদকে তাঁদের লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত প্রতিটি বিধানসভায় ১ দিন প্রবাস করতে হবে। ২) প্রত্যেক বিধায়ককে প্রতিটি মণ্ডলে ১ দিন করে প্রবাস করতে হবে। ৩) প্রতি জেলায় ৫০০ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানকে গুরুত্ব দিয়ে গাড়ির কনভয় এড়ানো, কারপুলিং গ্রহণ, গণপরিবহণ ব্যবহার এবং স্বদেশি-স্থানীয়ভাবে নির্মিত পণ্যের ব্যবহারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এছাড়া, বিশেষ জনসংযোগ অভিযান ৮ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে। যে অভিযান পরিচালনা করবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সাংসদ-বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী, জাতীয় পদাধিকারী ও প্রদেশ পদাধিকারীরা।

বিশেষ জনসংযোগ অভিযান ৮ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে। যে অভিযান পরিচালনা করবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সাংসদ-বিধায়ক, রাজ্যের মন্ত্রী, জাতীয় পদাধিকারী ও প্রদেশ পদাধিকারীরা।

বিশেষ জনসংযোগ কর্মসূচিতে থাকছে বৃক্ষরোপণ অভিযান, স্বচ্ছতা অভিযান, প্রগতি পথ যাত্রা (উন্নয়ন প্রকল্প ও অগ্রাধিকার প্রাপ্ত প্রকল্প পরিদর্শন), জেলাস্তরে বিকশিত ভারত সংকল্প সম্মেলন। একইসঙ্গে চলবে মোদি সরকারের সাফল্যের প্রদর্শনী। প্রতিটি জেলায় ৩ দিনের প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে এবং সেখানে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। মোদি সরকারের সাফল্যের প্রদর্শনী কর্মসূচি কো-অর্ডিনেট করবেন অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায় ও তনুজা চক্রবর্তী। এছাড়াও ১২ থেকে ২০ জুন জনকল্যাণ শিবির অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্যের প্রতি ব্লকে কেন্দ্র ও রাজ্যের প্রকল্পগুলির জন্য রেজিস্ট্রেশন শিবিরের আয়োজন করা হবে। ৩ দিনের এই শিবির রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় পরিচালনা হবে। পার্টির সংগঠন যোগ্য উপভোক্তাদের শিবির পর্যন্ত নিয়ে আসার দায়িত্ব পালন করবে। এই জনকল্যাণ শিবিরের কার্যক্রমটি কো-অর্ডিনেট করবেন শাখারভ সরকার ও অভিজিৎ বিশ্বাস। 

প্রতিটি জেলায় বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণিকে নিয়ে প্রবুদ্ধ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের কর্মসূচি তো রয়েছেই। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসায় এই কর্মসূচি আরও বড় আকারে পালন করা হতে চলেছে।

এছাড়া, প্রতিটি জেলায় বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণিকে নিয়ে প্রবুদ্ধ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের কর্মসূচি তো রয়েছেই। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসায় এই কর্মসূচি আরও বড় আকারে পালন করা হতে চলেছে। সাংগঠনিক জেলাস্তরে এই কর্মসূচি নিয়ে একাধিক বৈঠকও করছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মোদি জমানায় যে কটা সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প চালু করা হয়েছে, তা জুন মাসজুড়ে নিবিড় প্রচার করা হবে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *