মেয়ের স্বপ্নপূরণে জমি-গয়না বেচে দেন দুধ বিক্রেতা বাবা, আত্মঘাতী স্বর্ণপদকজয়ী সেই পাক ছাত্রী!

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


ছোট থেকেই মেয়ের স্বপ্ন আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার। সেই স্বপ্ন পূরণ করতে লক্ষ লক্ষ টাকা জমিয়েছিলেন দুধ বিক্রতা বাবা। শুধু তাই নয়, বিক্রি করে দিয়েছিলেন জমি, বন্ধক রেখছিলেন স্ত্রীয়ের গয়নাও। কিন্তু অভিযোগ, শেষমেষ প্রতারণার শিকার হয়ে আত্মঘাতী মেয়ে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানে।

একাধিক সংবাংমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মৃতার নাম লাইবা ইজাজ (২০)। তিনি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সারগোধার বাসিন্দা। উচ্চশিক্ষা এবং নিজেকে বিজ্ঞানী হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য হার্ভার্ডে পড়াশোনার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, বৃত্তি ও ভিসা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ভুয়ো নথিপত্র ধরিয়ে দিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, ইসলামাদে লাইবার দেহ উদ্ধার হয়। একটি গাছে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

পাক এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ইসলামাবাদের আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক হয়েছিলেন লাইবা। তিনি ছিলেন স্বর্ণপদকজয়ী।১৯৯৪ সাল থেকে ইসলামাবাদের রাস্তায় দুধ ও দই বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন তাঁর বাবা। নিজে খুব বেশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না পেলেও মেয়েদের পড়াশোনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন। মেয়ের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণের জন্য অর্থের জোগান দিতে নিজের কেনা একখণ্ড জমিও বিক্রি করে দিয়েছিলেন। লাইবার মা নিজের সমস্ত গয়নাও বন্ধক রাখেন। জানা গিয়েছে, মহম্মদ নোমান নামে এক ব্যক্তির সংস্পর্শে আসেন লাইবা এবং তাঁর পরিবার। বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরামর্শক হিসাবে পরিচয় দিয়ে তিনি লাইবাকে হার্ভার্ডে ভর্তি, বৃত্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বিনিময়ে বাবার এত বছরের সঞ্চিত অর্থ তাঁর হাতে তুলে দেন লাইবা। কিন্তু অভিযোগ, তরুণীকে ভুয়ো নথিপত্র ধরিয়ে দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দেন নোমান। এরপরই আত্মঘাতী হন লাইবা। গোটা ঘটনায় ইতিমধ্যেই ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *