মৃত্যু-রক্ত-অস্ত্র অতীত, দুই দশক পর ক্ষমতা থেকে সরছে হামাস, গাজায় এবার অসামরিক শাসন!

মৃত্যু-রক্ত-অস্ত্র অতীত, দুই দশক পর ক্ষমতা থেকে সরছে হামাস, গাজায় এবার অসামরিক শাসন!

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর বিনিময়ে শান্তি ফিরেছে গাজায়! এই অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলটিতে অসামরিক শাসন বাস্তবায়ন হতে চলেছে। ক্ষমতা থেকে সরছে সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হামাস। দুই দশক পরে গাজার সামরিক প্রশাসনিক কাঠামো বিলুপ্ত করল তারা। বলা বাহুল্য, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন।

২০০৬ সালে আইনসভার নির্বাচনে জয়ের পর ২০০৭ সালে প্রতিদ্বন্দ্বী প্যালেস্তিনীয় সংগঠন ‘ফাতাহ’-এর কাছ থেকে গাজার নিয়ন্ত্রণ ছিনিয়ে নেয় হামাস। অন্যদিকে, গত অক্টোবরে ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই হামাস বলে আসছে, গাজার শাসন থেকে সরে দাঁড়াতে তারা প্রস্তুত। যদিও তাদের অস্ত্র সংবরণের জটিল বিষয়টি এখনও অমীমাংসিতই রয়ে গিয়েছে। হামাসের মিডিয়া দপ্তরের প্রতিনিধি ইসমাইল আল-থাওয়াবতা সোমবার সংবাদসংস্থাকে বলেন, “সরকারের জরুরি কমিটির প্রধান মহম্মদ আল-ফাররা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।” তিনি ‘গাজা প্রশাসন বিষয়ক জাতীয় কমিটি’র (এনসিএজি) কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর প্রক্রিয়ার লক্ষ্যে বর্তমান কমিটিটি বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন:

গত বছর অক্টোবরে কায়রোতে তৈরি হয় এনসিএজি। যা গঠিত হয় গাজা ‘বোর্ড অফ পিস’-এর নেতৃত্বে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যস্থতা করার সময় এই বোর্ড প্রতিষ্ঠা হয়। হামাস মুখপাত্র হাজেম কাশেম বলেন, গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ আর নিজের হাতে না রাখার বিষয়ে পদক্ষেপ করেছে হামাস। লক্ষ্য হল দখলদার শক্তির (পড়ুন ইজরায়েল) আগ্রাসন এবং নির্মূল অভিযানের নামে গাজায় আগ্রাসন বন্ধ করা।

অন্যদিকে, এনসিএজির প্রধান আলি সাথ এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন, “আমরা নিশ্চিত করছি যে, প্রয়োজনীয় সম্পদ ও ক্ষমতা হাতে আসলেই গাজা প্রশাসনিক জাতীয় কমিটি যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবে।” তিনি যোগ করেছেন, কমিটির সাফল্যের জন্য অপরিহার্য শর্তগুলো হল—একক কর্তৃত্ব, একক আইন এবং একক কর্তৃপক্ষের অধীনে একটি সশস্ত্র বাহিনী। ‘বোর্ড অফ পিস’ জানিয়েছে, তারা হামাসের ঘোষণার উপর নজর রাখছে। গাজার অঞ্চলের সমস্ত অস্ত্র এনসিএজির নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *