মিসাইল ভাণ্ডার নয়, ইউরোপজুড়ে ফ্রিজে হামলা হ্যাকারদের! সুপার মার্কেটে চলছে কোন যুদ্ধ?

রাজ্য/STATE
Spread the love


ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা গোলাগুলি নয়। এবার সাইবার হামলায় বিপর্যস্ত ইউরোপের বিস্তীর্ণ অংশ। জানা গিয়েছে, বেলজিয়াম, এস্টোনিয়া, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ ও সুইডেনের একাধিক সুপার মার্কেটের ফ্রিজে হানা দিয়েছে সাইবার অপরাধীরা। দূর থেকেই বদলে দেওয়া হচ্ছে তাপমাত্রা। ফলে নষ্ট হচ্ছে প্রচুর পরিমাণ খাবার। হ্যাকারদের এই নয়া কৌশলকে ‘খাদ্যযুদ্ধ’ হিসাবে দেখছে ওয়াকিবহাল মহল।

সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’র খবর অনুয়ায়ী, সাইবার হামলার জেরে বেলজিয়াম ও লুক্সেমবার্গের প্রায় ৪০টি সুপারমার্কেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একই ছবি সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ডে-সহ অন্যান্য দেশগুলিতেও। গত মাসে কয়েক মিলিয়ন ইউরোর খাদ্যসামগ্রী ফেলে দিতে হয়েছে বলে খবর।গোটা ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে নতুন উদ্বেগ। অভিযোগ, দূর থেকে সাইবার হামলা চালিয়ে সুপার মার্কেটগুলির ফ্রিজারের তাপমাত্রা বাড়িয়ে ৫০ থেকে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস করে দেওয়া হচ্ছে। ফলে নষ্ট হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে তাজা ও হিমায়িত খাদ্য। এমনকী, কয়েকটি ক্ষেত্রে আগুন লাগার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি সংবাদমাধ্যমগুলির। সুপার মার্কেটগুলির কর্মীদের বক্তব্য, কোনওভাবেই তাপমাত্রা কমানো যাচ্ছে না। লাগাতার এই হামলা চলতে থাকলে শীঘ্রই গোটা ইউরোপে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। সূত্রের খবর, ফ্রিজারগুলির অপারেটিং সিস্টেমের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে হামলা চালাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা। গত মাসে প্রথম এই ধরনের আক্রমণের কবলে পড়ে ফ্রান্স। কিন্তু পরে তা প্রায় গোটা ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন:

কিন্তু কোন নীল নকশায় ইউরোপের সুপার মার্কেটগুলিতে এই যুুদ্ধ চালাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা? আসলে আধুনিক সুপার মার্কেটগুলিতে ফ্রিজ ও ফ্রিজারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিজিটাল ব্যবস্থা থাকে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূর থেকেই সেগুলির উপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। অভিযোগ, সেই ব্যবস্থার দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়েই সিস্টেমের মধ্যে ঢুকে পড়ছে হ্যাকাররা। কোনও কোনও ক্ষেত্রে ফ্রিজারের তাপমাত্রা বাড়িয়ে ৫০-৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত করে দেওয়া হচ্ছে। কোথাও আবার কুলিং ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়ে ডিফ্রস্ট মোড চালু করে দেওয়া হচ্ছে। ফলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে খাবার।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *