মিষ্টির আশায় সোশাল মিডিয়ায় নম্বর শেয়ার, ইনফ্লুয়েন্সরের বাড়িতে হাজির লাখ লাখ টাকার টিভি-ফ্রিজ! তারপর…

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


উৎসবের মরশুম শুরু হয়ে গিয়েছে। দীপাবলিতে ফলোয়ারদের থেকে মিষ্টি পাওয়ার আশায় সোশাল মিডিয়ায় নম্বর-ঠিকানা শেয়ার করেছিলেন ইনফ্লুয়েন্সর বীরমণি। আধ ঘণ্টায় কমপক্ষে ১৫ জন ডেলিভারি বয় বেল জানিয়েছেন তাঁর দুয়ারে। কারও হাতে ফ্রিজ, কারও এসি, কারও কাছে টিভি বা অন্য কোনও দামি জিনিস। এগুলো প্রিপেড ভেবে ভুল করবেন না! সবকটাই ছিল ক্যাশ অন ডেলিভারি। গোটা ঘটনায় বিধ্বস্ত ক্রিয়েটর। এখন সোশাল মিডিয়ায় এসব বন্ধের আর্জি জানাচ্ছেন তিনি।

ইনফ্লুয়েন্সরদের প্রতি আমজনতার বরাবরই প্রবল উৎসাহ। তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে, উপহার পাঠাতে পছন্দ করেন অনেকেই। সম্ভবত সেই কারণেই সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় নিজের নম্বর ও ঠিকানা শেয়ার করেছিলেন ন। ভেবেছিলেন অনুরাগীরা দিওয়ালিতে মিষ্টি পাঠাবেন। কিন্তু একে একে পার্সেল আসতেই দেখা গেল, কোনওটায় টেলিভিশন, কোনওটায় রেফ্রিজারেটর। এসেছে ওয়াশিং মেশিন, স্মার্টফোন-সহ আরও অনেক কিছু। তার মধ্যে একটি টিভির দাম ১.৬৯ লক্ষ টাকা! যেহেতু পণ্যগুলো ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ পদ্ধতিতে অর্ডার করা হয়েছিল, তাই ডেলিভারি কর্মীরা সেগুলো নিয়ে গিয়ে পেমেন্ট চান। অথচ বীরামণি এই পণ্যগুলোর কোনওটিই অর্ডার করেননি এবং সেগুলো কেনার সামর্থ্যও তাঁর ছিল না। ফলে পার্সেল না দিয়েই ফিরতে হয় ডেলিভারি বয়দের।

আরও পড়ুন:

এরপর একটি ভিডিও করেন বীরমণি। সেখানে এই প্র্যাঙ্কের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের এসব বন্ধ করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, “আপনারা কেন এমনটা করছেন? ডেলিভারি কর্মীরা অনেক দূর থেকে আসছেন। দয়া করে এসব বন্ধ করুন। আধা ঘণ্টার মধ্যে পনেরোটি অর্ডার এসেছে, আর এতগুলো অর্ডারের মূল্য পরিশোধ করার মতো টাকা আমার কাছে নেই।” অভিযোগ অনুযায়ী, এই প্র্যাঙ্কটি কেবল নিত্যপ্রয়োজনীয় গৃহস্থালি পণ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। কেউ কেউ সুইগি-জোম্যাটোতে খাবারও পাঠিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *