মহুয়াকে রাতে সার্কিট হাউস ছাড়ার নির্দেশ! লোকসভার স্পিকারকে ক্ষোভ জানিয়ে চিঠি সাংসদের

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে হেনস্থার অভিযোগ। সেই বিষয় নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার রাতে ঘটনা নিয়ে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। আজ, শনিবার স্বাধীনতা দিবসে কৃষ্ণনগর সিদ্ধেশ্বরী কালীবাড়ি এলাকায় এমপি অফিসে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করলেন সাংসদ। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি দলীয় পতাকাও উত্তোলন করেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গতকাল, শুক্রবার রাতের ঘটনায় ফের উগরে দিলেন তিনি। শাসক দলের অঙ্গুলিহেননে ওই ঘটনা ঘটেছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। ওই এলাকার বর্তমান সাংসদ মহুয়া। ফলে সার্কিট হাউসে থাকার ক্ষেত্রে তাঁর প্রাধান্যই আগে। সেই কথাও এদিন মহুয়া জানিয়েছেন। রাতে তাঁকে যে চিঠি নোটিশ আকারে দেওয়া হয়েছিল, তাতে কোনওভাবে অশোক স্তম্ভ ছাপ ছিল না, সেই অভিযোগও করেছেন তৃণমূল সাংসদ।

আরও পড়ুন:

Mahua Moitra writes to Lok Sabha Speaker over directive to vacate Circuit House
স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন মহুয়া মৈত্রের। নিজস্ব চিত্র

গতকাল রাতে ঠিক কী হয়েছিল কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে? মহুয়া জানিয়েছেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ তিনি সার্কিট হাউসে যান। ঘরও পান। ঘরেই রাতের খাবার পরিবেশন করা হয়। তারপরই হঠাৎ রাত ১০টা নাগাদ তাঁকে ঘর খালি করে দিতে বলা হয়। প্রশাসনের তরফে তাঁর কাছে ফোন যায় বলে দাবি কৃষ্ণনগরের সাংসদের। এরই মধ্যে তিনি সার্কিট হাউসের বাইরে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি শুনতে পান। প্রায় শ’খানেক মানুষ সার্কিট হাউসের বাইরে ভিড় করেছিল বলে সাংসদের অভিযোগ। ফেসবুক লাইভে এসে গোটা বিষয়টি জানিয়েছিলেন মহুয়া। ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পাশাপাশি কোনওভাবেই ঘর ছেড়ে দেবেন না বলে জানিয়েছিলেন তিনি। 

রাতেই মহুয়া মৈত্র গোটা বিষয়টি নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখেছেন। যদি সত্যিই সার্কিট ছাড়ার নির্দেশ সত্যিই থাকত, তাহলে রাত ১০টা পর্যন্ত কেন অপেক্ষা করল প্রশাসন? রাত ১০টা ৫২ মিনিটে কেন নির্দেশের কপি পাঠানো হল? সেই প্রশ্ন তুলেছেন মহুয়া। রাতে সাংসদ সার্কিট হাউস ছাড়েননি। এদিন সকালে কৃষ্ণনগরে তাঁর নিজের কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *