‘মফঃস্বলের ছেলের দেশ জয়’, লালবাগচার পায়ে জাতীয় পুরস্কার ঠেকিয়ে আশীর্বাদধন্য কার্তিক আরিয়ান

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


মঙ্গলবারই গুজরাতের একতানগরে গিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার হাতে তুলেছেন কার্তিক আরিয়ান। আর তার চব্বিশ ঘণ্টা পেরতে না পেরতেই মুম্বই উড়ে গিয়ে লালবাগচা রাজার পায়ে পুরস্কার ঠেকিয়ে আশীর্বাদ নিলেন ‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’। এই প্রথমবার জাতীয় পুরস্কার জয়। আর সেই প্রেক্ষিতেই আবেগে ভাসছেন ‘মফঃস্বল থেকে উঠে আসা’ কার্তিক।

“এক মফঃস্বলের ছেলের স্বপ্ন… দেশের প্রতিটি অভিনেতার স্বপ্ন… সেরা অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার।…” 

আরও পড়ুন:

৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের অনুষ্ঠানে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন অভিনেতা। রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কারগ্রহণ করার প্রাক্কালে কার্তিকের চোখের কোণ চিকচিক করে উঠেছিল। আসলে প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ের স্বাদ পেয়েছেন, আবেগপ্রবণ হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। আর এহেন সম্মানে ভূষিত হওয়ার পরদিনই পুরস্কার এবং শংসাপত্র হাতে মুম্বইয়ের খ্যাতনামা গণেশপুজো লালবাগচা রাজার কাছে ছুটে গিয়েছেন কার্তিক আরিয়ান। পুজো প্যান্ডেল থেকে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওয় লালবাগের গণপতি মূর্তির পায়ে জাতীয় পুরস্কার এবং শংসাপত্র ঠেকিয়ে আশীর্বাদ নিতে দেখা যায় ‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’কে। নিষ্ঠা সহকারে প্রণাম করে বাপ্পার পায়ে মাথাও ঠেকান তিনি। আর সেই ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত সোশাল পাড়ায় ভাগ করে নিয়ে কার্তিক লিখেছেন, ‘আমার সুখকর্তা, দুঃখহর্তা। তোমার এই আশীর্বাদ ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। ধন্যবাদ বাপ্পা!’

লালবাগচা রাজা দর্শনে কার্তিক আরিয়ান

‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে পুরস্কৃত হয়ে কার্তিকের মন্তব্য, “এক মফঃস্বলের ছেলের স্বপ্ন… দেশের প্রতিটি অভিনেতার স্বপ্ন… সেরা অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার। গোয়ালিয়রের সেই মায়ের আদরের ছেলেটির দিকে স্নেহের হাসি নিয়ে ফিরে তাকালাম, যে অভিনেতা হওয়ার সাহস করেছিল।” আবেগপ্রবণ অভিনেতার মন্তব্য, “‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’ সিনেমার জন্য প্রথম জাতীয় পুরস্কার আমার হাতে উঠল। আমি সত্যিই অত্যন্ত আনন্দিত। আমার পুরো পরিবার এবং আমাদের পুরো টিম এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত। ‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’-এর মাধ্যমে আমরা যে সফর শুরু করেছিলাম এবং এই ছবিটি অনেক মানুষকে, বিশেষ করে প্যারালিম্পিয়ানদের অনুপ্রাণিত করছে। সেকথা মাথায় রেখেই আমাদের এই সিনেমাকে জাতীয় পুরস্কারে পুরস্কৃত করার জন্য জুরি সদস্য এবং আসমুদ্রহিমাচলের দর্শকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *