বুধবারই ভোট পরবর্তী হিংসা প্রসঙ্গে ২০২১ এবং ২০২৩ এর উদাহরণ টেনে তৃণমূলকে তোপ দাগেন হবু বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেদিন রাতেই মধ্যমগ্রামে শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ গাড়ির মধ্যেই গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হলেন। তাঁর পেটে-বুকে ও মাথায় গুলি লাগে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন গাড়ির চালকও।
মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকায় হামলা হয় চন্দ্রনাথের উপরে। বাইকে করে এসে দুই দুষ্কৃতী পথ আটকায় শুভেন্দুর আপ্তসহায়কের গাড়িটির। এর পরেই এলোপাথাড়ি গুলি করে পালায় তারা। বাইকটিতে নম্বর প্লেট ছিল না বলেই জানা গিয়েছে। চন্দ্রনাথের বুকে-পেটে ও মাথায় গুলি লাগে। হামলায় আহত হন গাড়ির চালকও। তড়িঘড়ি শুভেন্দুর আপ্তসহায়ককে মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও চিকিৎসকরা জানান ইতিমধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গুলিবিদ্ধ গাড়িচালককে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর।
আরও পড়ুন:
আদতে মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরের মানুষ হলেও দীর্ঘদিন উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামেই থাকছিলেন চন্দ্রনাথ। এদিন সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ বিধানসভায় যান তিনি। সেখান থেকে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। সেই সময়েই গাড়ি আটকে সামনে থেকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। ভিভা সিটি হাসপাতালের কর্ণধার প্রতিম সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, চন্দ্রনাথ রথের দুটি গুলি লেগেছিল বুকে, হৃদপিণ্ড ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল সেগুলি। হাসপাতালে আসার আগেই মৃত্যু হয়েছিল। চন্দ্রনাথের উপর হামলার ঘটনা নিয়ে ব্যারাকপুরে জয়ী বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী বলেন, “ঘটনার পরিনাম তৃণমূলকে ভুগতে হবে। পুরোটা মমতা-অভিষেকের নির্দেশে হয়েছে। যতক্ষণ না দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, দেহ দাহ করব না।”
আরও পড়ুন:
ভিভা সিটি হাসপাতলের সামনে জরো হয়েছেন অসংখ্য বিজেপি কর্মী সমর্থক। সেখানে পৌঁছেছেন সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী, অর্জুন সিং, শঙ্কর ঘোষ, পীযূষ কানোরিয়া, কৌস্তভ বাগচী, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ বিজেপি নেতারা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
