ভয়ংকর দুর্যোগ কেরলে। একটানা ভারী বর্ষণে বন্যার পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসে কমপক্ষে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ আরও ৮ জন। এখনও পর্যন্ত আহতের সংখ্যা ১৩। গোটা রাজ্যের হতাহতের খবর, বন্যা পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন খোদ কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন।
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির হিসাবে জানাতে গিয়ে সতীশন জানান, ২৭টি বাড়ি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের ২০৯টি আশ্রয় শিবিরে ৫৭৯২ জন বন্যাদুর্গত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, বন্যায় মৃতদের পরিবার এবং যাঁদের বাড়িঘর ভেঙে গিয়েছে তাঁদের আর্থিক সাহায্য় করবে সরকার। শনিবার থেকে বৃষ্টিপাত খানিকটা কমলেও রাজ্যবাসীকে, বিশেষ করে করে পাহাড়ি এলাকায় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলেছেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
এইসঙ্গে সতীশন জানিয়েছেন, রাজ্যের বিভিন্ন বন্যাদুর্গত অঞ্চলে ত্রাণের কাজ চালাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা। ত্রাণ কার্যক্রমের ওপর নজর রাখার জন্য তিনি রাজস্বমন্ত্রী এপি অনিলকুমার, বিভিন্ন জেলার দায়িত্বে থাকা অন্যান্য মন্ত্রী এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখছেন। আরও জানান, বন্যাদুর্গত ও জলমগ্ন এলাকাগুলোতে নিকাশির কাজে জোর দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান সতীশন।
আরও পড়ুন:
এদিকে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে নতুন করে শঙ্কিত কেরলবাসী। মৌসম ভবন কেরলের ১২টি জেলার জন্য ‘কমলা সতর্কতা’ জারি করেছে। এছাড়াও তিরুঅনন্তপুরম ও কোল্লাম জেলার জন্য ‘হলুদ সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। যদিও সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটাই ভালো।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
