২০২১ সাল থেকে দেওয়া সমস্ত জাতিগত শংসাপত্র যাচাইয়ের নির্দেশ দিল অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর। দপ্তর সূত্রে খবর, জেলাশাসকদের এই নির্দেশ দিয়ে জানানো হয়েছে, বেআইনিভাবে বা ভুল তথ্য দিয়ে যদি কোনও শংসাপত্র কেউ পেয়ে থাকেন, তবে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নিতে হবে।
এই বিষয়ে আরও খবর
২০১১ থেকে প্রায় ১ কোটি ৬৯ লক্ষ জাতিগত শংসাপত্র ইস্যু করা হয়েছে। এর মধ্যে তফসিলি জাতি হিসেবে প্রায় ১ কোটি। তফসিলি উপজাতি হিসেবে ২১ লক্ষ। এবং ওবিসি’দের ৪৮ লক্ষ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। ১ কোটি ৬৯ লক্ষের মধ্যে ৪৭.৮০ লক্ষ শংসাপত্র (এসসি ৩২.১৫, এসটি ৬.৬৫ এবং ওবিসি ৮.৬৪ লক্ষ) শুধুমাত্র দুয়ারে সরকার শিবির থেকে আবেদনের ভিত্তিতে হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আগের শংসাপত্রের ভিত্তিতে দ্বিতীয় প্রজন্মের শংসাপত্রও।
দপ্তরের নজরে এসেছে, ২০১১ সাল থেকে ইস্যু করা কিছু জাতিগত শংসাপত্রের সত্যতা ও বৈধতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক হয়। এরপরই ২০১১ সাল থেকে যে সমস্ত শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে, সেগুলি পুর্নযাচাইয়ের কাজ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে থাকবে দ্বিতীয় প্রজন্মের জন্য দেওয়া শংসাপত্রও। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এ যদি কোনও নাম বাদ গিয়ে থাকে, সেক্ষেত্রেও ওই শংসাপত্র বাতিল করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের দায়িত্ব নিয়ে মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু জানিয়েছিলেন, শংসাপত্র নিয়ে যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হবে। কোনও আধিকারিক যদি নিয়ম বর্হিভূত কাজ করে থাকেন তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই মোতাবেক আজ, শুক্রবার ২০১১ সাল থেকে ইস্যু করা শংসাপত্র যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
