ভিতরে এক, বাইরে আরেক কমিশন! ‘দ্বিচারিতা’ সরিয়ে বৈঠকের কথাবার্তা প্রকাশের দাবি তৃণমূলের

ভিতরে এক, বাইরে আরেক কমিশন! ‘দ্বিচারিতা’ সরিয়ে বৈঠকের কথাবার্তা প্রকাশের দাবি তৃণমূলের

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও শাসকদল তৃণমূলের দ্বন্দ্ব আরও চরমে। শুক্রবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় তৃণমূল প্রতিনিধিদলের সাক্ষাতের পর কমিশনের বক্তব্য পদক্ষেপে মিথ্যাচারের অভিযোগ তুলেছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার বৈঠকের আলোচ্য বিষয় সম্পূর্ণ প্রকাশের দাবি তুলল তৃণমূল। শনিবার ডেরেক ও ব্রায়েন, সাকেত গোখলে, প্রতিমা মণ্ডলরা দাবি জানালেন, ৫৫ মিনিটের ওই বৈঠকে কী কী কথা হয়েছে, তা প্রকাশ্যে আনা হোক। তাহলে সমস্ত ধোঁয়াশা কেটে যাবে।

শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে ডেরেকের বক্তব্য, ”কিছু ভুয়ো তথ্য ছড়ানো হচ্ছে আমাদের দলের বিরুদ্ধে। বলা হচ্ছে, বিএলও-রা যাতে কোনও রাজনৈতিক চাপের মুখে না পড়ে, তা দেখতে হবে পুলিশকে। আমার প্রশ্ন হল, কারা বিএলও-দের চাপ দিচ্ছে? রাজ্যের শাসকদল এবং একটা দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে এসআইআরের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে যা যা দরকার, আজ পর্যন্ত আমরা সেই সহযোগিতা করে চলেছি। মনে রাখবেন, বিএলও-রা আপনাদের পাহাড়প্রমাণ কাজের নির্দেশে চাপে পড়ছেন। আমরা আবারও বলছি, এসআইআরের বিরুদ্ধে নই, কিন্তু যে পদ্ধতিতে কাজটা চলছে, তার বিরুদ্ধে আমরা। দয়া করে বলবেন না যে আমরা কাজে বিঘ্ন ঘটাচ্ছি। আর আমাদের কথা বুঝতে যদি সমস্যাই হয়, তাহলে শুক্রবার ৫৫ মিনিটের বৈঠকে যা যা আলোচনা হয়েছে, তার পুরোটা প্রকাশ্যে আনুক নির্বাচন কমিশন।” এর জন্য দরকারে কমিশন কিছুটা সময় নিক, তাও জানিয়েছেন ডেরেক।

কিন্তু এই সংঘাত তৈরি হল কোন পরিস্থিতিতে? শুক্রবার কমিশনের দপ্তরে তৃণমূলের ১০ সাংসদ গিয়ে দেখা করেন কর্তাদের সঙ্গে। এসআইআরের পদ্ধতি নিয়ে বাছা বাছা পাঁচটি প্রশ্ন করা হয়। প্রায় একঘন্টা ধরে বৈঠক হয়। বেরিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল সাংসদরা দাবি করেন, কমিশনের কর্তারা তাঁদের প্রশ্নের কোনও উত্তর দিতে পারেননি। এরপর সন্ধ্যায় দীর্ঘ নির্দেশিকায় একে একে কমিশন তৃণমূলের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দাবি তোলে। সেইসঙ্গে পুলিশকর্তাদের চিঠি পাঠিয়ে বিএলও-দের উপর ‘রাজনৈতিক চাপ’ সংক্রান্ত বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

এই বিষয়টিকে ‘আপত্তিকর’ বলে মনে করে পালটা প্রতিক্রিয়া দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন কিছু আড়াল করার চেষ্টায় মিথ্যাচার করছে। সব স্পষ্ট হওয়া দরকার। এরপর শনিবারই সাংবাদিক বৈঠক করে ডেরেক ও ব্রায়েন, প্রতিমা মণ্ডলদের দাবি, শুক্রবারের আলোচনা প্রকাশ্যে আসুক।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *