ভিডিও কল রিসিভ করতেই স্ক্রিনে নগ্ন মহিলা! আতঙ্কে ফোন কেটেও ৫০ লক্ষ খোয়ালেন যুবক

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


হোয়াটস অ্যাপে ভিডিও কল। রিসিভ করতেই স্ক্রিনে ভেসে উঠল নগ্ন মহিলার ভিডিও। আতঙ্কে তাড়াতাড়ি ফোন কেটে দিয়েও রেহাই পেলেন না আহমেদাবাদের যুবক। বছর ২৫-এর যুবককে ব্ল্যাকমেল করে ৫০ লক্ষ টাকা হাতাল প্রতারকরা। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন যুবক। অভিযোগের ভিত্তিতে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে আহমেদাবাদ পুলিশ।

পুলিশের তরফে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার সূত্রপাত গত ৩ সেপ্টেম্বর। ওই যুবকের ফোনে অচেনা নম্বর থেকে একটি ভিডিও কল আসে। কৌতূহলবশত ফোনটি রিসিভ করতেই স্ক্রিনে ভেসে ওঠে এক নগ্ন মহিলার ভিডিও। আতঙ্কে সঙ্গে সঙ্গে ফোনটি কেটে দেন তিনি। ফোন নম্বরটিও ব্লক করে দেন। এরপরই যুবকের ফোনে একটি ফোন আসে। বলা হয়, যুবকের নগ্ন ভিডিও রেকর্ড করা হয়েছে টাকা না পাঠালে তা ভাইরাল করে দেওয়া হবে। বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ওই যুবক ফোন কেটে দেন। কথোপকথন চলার সময় তাঁর ফোনে একটি ভিডিও কল আসে, সেই ভিডিও ডিলিট করে দেন যুবক।

আরও পড়ুন:

যুবকের ফোনে অচেনা নম্বর থেকে একটি ভিডিও কল আসে। কৌতূহলবশত ফোনটি রিসিভ করতেই স্ক্রিনে ভেসে ওঠে এক নগ্ন মহিলার ভিডিও। আতঙ্কে সঙ্গে সঙ্গে ফোনটি কেটে দেন তিনি।

২৭ সেপ্টেম্বর আর একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনের ওপারে থাকা ব্যক্তি নিজেকে দিল্লি সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চের অফিসার সঞ্জয় আরোরা বলে পরিচয় দেন। রীতিমতো হুমকির সুরে বলেন, মহিলার নগ্ন ভিডিও রেকর্ড করার জন্য তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং এই মামলায় তাঁর ৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। গ্রেপ্তারি এড়াতে ইউটিউবের একজন প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে যথোপযুক্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সেখান থেকেই এক ব্যক্তিকে ফোনে ধরা হয়, ইনি নিজেকে ইউটিউবের এক্সিকিউটিভ বলে দাবি করেন। এখান থেকে জানানো হয়, ওই যুবকের নামে দুটি নগ্ন ভিডিও পাওয়া গেছে এবং তা ডিলিট করতে ৭১,২৫০ টাকা দিতে হবে। পুলিশের ভয়ে টাকা দিতে রাজি হন যুবক।

এরপর থেকেই শুরু হয় আসল খেলা। নানা অজুহাতে বারবার টাকা চাইতে থাকে প্রতারকরা। প্রতিবারই ভিডিও ভাইরাল করে যুবকের কেরিয়ার নষ্ট করার এবং পুলিশি পদক্ষেপের ভয় দেখানো হয়। দফায় দফায় তাঁর কাছ থেকে ৪৯.৭৮ লক্ষ টাকা আদায় করা হয়। তবে আরও টাকার দাবি করা হলে যুবক বুঝতে পারেন তিনি প্রতারিত হয়েছেন। এরপরই সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা পাঠানো হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *