ভারত-পাক সম্পর্কে মধ্যস্থতা করবেন ট্রাম্প? পাক সাংবাদিকের প্রশ্ন শুনেই থামালেন মার্কিন প্রতিনিধি

ভারত-পাক সম্পর্কে মধ্যস্থতা করবেন ট্রাম্প? পাক সাংবাদিকের প্রশ্ন শুনেই থামালেন মার্কিন প্রতিনিধি

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁওয়ে নৃশংস হামলায় ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা, ইজরায়েল, ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়ার মতো একাধিক দেশ। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একযোগে সরব হয়েছেন রাষ্ট্রনেতারা। এহেন স্পর্শকাতর পরিস্থিতিতে কি কাশ্মীর ইস্যুতে মাথা ঘামাবে আমেরিকা? ভারত-পাক সম্পর্কে মধ্যস্থতা করবেন ট্রাম্প? এই প্রশ্ন করতেই পাক সাংবাদিককে থামিয়ে দিলেন মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস। কী বললেন তিনি। 

গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ ভ্যালিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। ২৫ পর্যটক ও এক স্থানীয় যুবককে গুলিতে ঝাঁজরা করে দেয় তারা। যার পালটা দিচ্ছে ভারতীয় সেনা। খুঁজে খুঁজে জেহাদিদের খতম করা হচ্ছে। নারকীয় হামলার খবর পেয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। আজ শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক ট্যামি ব্রুসকে প্রশ্ন করেন, “কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতা করবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প?” প্রশ্ন শুনেই তাঁকে থামিয়ে দেন মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র। সাফ জানান, “আমি এর কোনও উত্তর দেব না। এই পরিস্থিতি নিয়ে আমি বেশি কিছু বলব না। প্রেসিডেন্ট আর বিদেশ সচিবই যা বলার বলবেন।”

তবে পহেলগাঁওয়ের হামলার কথা উল্লেখ করে ট্যামি ব্রুস বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং বিদেশ সচিব রুবিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আমেরিকা ভারতের পাশে রয়েছে। আমরা এই সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা করি। আমরা নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। এই জঘন্য কাজের অপরাধীরা যেন যোগ্য জবাব পায়।”

পহেলগাঁও হামলার পরে কার্যত রণংদেহি মেজাজে একের পর এক পদক্ষেপ করেছে ভারত-পাকিস্তান দুই দেশই। এহেন পরিস্থিতিতে ২০ দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পহেলগাঁও হামলা নিয়ে বৈঠক করেছে বিদেশমন্ত্রক। তারপরেই একের পর এক রাষ্ট্রনেতার ফোন এসেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে। আমেরিকা এবং চিনের রাষ্ট্রদূতরা হাজির ছিলেন বিদেশমন্ত্রকের বিশেষ বৈঠকে। এছাড়াও জার্মানি, জাপান, পোল্যান্ড, রাশিয়া, ব্রিটেনের মতো দেশের রাষ্ট্রদূতরা রয়েছেন সেই তালিকায়। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে ২০টি দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলেন বিক্রম মিসরি। পহেলগাঁও সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয় তাঁদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *