লিওনেল মেসির সামনে আরও একটি বিশ্বকাপ ফাইনাল। স্পেনের বিরুদ্ধে নামতে চলেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। একমাস জুড়ে এই দিনটার জন্যই চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করে রয়েছে আপামর ফুটবলপ্রেমী। আর যাঁরা আর্জেন্টিনা ভক্ত তাঁদের তো অ্যাড্রিনাল রাশ একেবারে তুঙ্গে। রবিবাসরীয় রাতে টানটান উত্তেজনা, সে কথা আর আলাদা করহে বলার অপেক্ষাই রাখছে না। আর মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার অপেক্ষা। মেসি ম্যাজিকে মজে ভক্তরা। আর ঠিক সেই সময়ই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল সঙ্গীতশিল্পী শিলাজিতের কণ্ঠে মেসিকে নিয়ে গান, ‘তি আমো মেসি’। যার বাংলা তর্জমা করলে হয়, ‘তোমাকে ভালোবাসি মেসি’ তবে মজার বিষয়, সেটা চার বছর পুরনো। ব্যাপারটা একদম সেই ‘পুরনো বোতলে মতুন মদ’-এর মতো।
এই গান প্রসঙ্গে বিশদে জানতে সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের তরফে শিলাজিতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তখনই ফুরফুরে মেজাজে যোগ করেন, এবছর গোয়ায় বসে ছেলের সঙ্গে বিশ্বকাপ ফাইনাল এনজয় করবেন। অতঃপর গল্প একেবারে জমে ক্ষীর। ফুটবলের প্রতি প্রেম, ভাবনা সবকিছু নিয়েই যেন নস্ট্যালজিক শিলাজিৎ। তিনি বলেন, “আমি ফুটবলের ভক্ত। তবে বিশ্বকাপের ক্ষেত্রে একজন ফুটবলপ্রেমী হিসাবে আমার দৃষ্টিকোণটা একটু অন্যরকম। যে দল যত ভালোই খেলুক আমি চাই প্রতিটি ম্যাচই যেন এক্সট্রা টাইম পর্যন্ত যায়। কারণ আজকের কর্মব্যস্ত জীবনে এধরনের কোয়ালিটি ফুটবল দেখার সুযোগ প্রায় হয়ই না। নব্বই মিনিটের খেলা হলেই তো শেষ। কোনও দল বা কারও প্রতি আমার অমোঘ আকর্ষণ নেই। ব্রাজিল, ল্যাটিন আমেরিকার টিমগুলোর খেলা যেমন ভালো লাগে তেমনই কলম্বিয়া, নেদারল্যান্ডসের খেলাও উপভোগ করি। সবমিলিয়ে বিশ্বকাপের সময় প্রতিটি দলের খেলাই আমি এনজয় করতে পছন্দ করি। কিন্তু, ইউরো কাপের সময় আবার সেটা হয় না।”
আরও পড়ুন:

এবার আসা যাক ফুটবল নিয়ে তাঁর গানের ভাবনায়। এই মর্মে গায়কের সংযোজন,” গতবছর বিশ্বকার চলাকালীন এক পরিচিতের আবদারেরই এই গানটি লিখেছিলাম। ওই বছর বিশ্বকাপ দেখে যা যা অনুভব করেছিলেন সেটাই গানের সুরে বাঁধতে চেয়েছিলাম। তখনই বুঝতে পেরেছিলাম মেসি যখন ময়দানে তখন আমাদের ঘরবাড়িগুলোই যেন একটা আস্ত স্টেডিয়াম হয়ে ওঠে। ফুটবল আর মেসি যেন পরস্পরের সমার্থক। গানটা তো আমি মেসিকে ট্যাগও করেছিলাম। এখন ভাবতে অবাক লাগে চার বছর আগের সেই গান আবার চর্চায়।”
গোয়ায় বসে ফাইনাল ম্যাচ দেখার কোনও বিশেষ পরিকল্পনা? শিলাজিৎ জানান, “এবার ছেলের সঙ্গে ফাইনাল ম্যাচ দেখব। আমার ছেলেও ধী-ও ফুটবলের অন্ধ ভক্ত। তাই বাপ-বেটা মিলে দারুণ মজা করে খেলা দেখব। যদি এক্সট্রা টাইম পর্যন্ত যায় তাহলে তো পুরো জমে যাবে। আর যদি মেসি জেতে তাহলে তো কোনও কথাই নেই। কোয়ালিটি ফুটবল দেখলে পয়সা উসুলের সঙ্গে মনও একেবারে চাঙ্গা হয়ে যায়। আগের দিন মেসি ঠান্ডা মাথায় যে গোলটা করেছিল সেটা সত্যিই অবিশ্বাস্য।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
