বোলপুরে তৃণমূল বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতে সিআইডি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার রেজুলেশনে স্বাক্ষর আদৌ তাঁর কিনা, তা জানতে বোলপুরের নায়েক পাড়ার বাড়িতে পৌঁছন সিআইডি গোয়েন্দারা। এর আগে চৌরঙ্গির তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক হারুল ইসলামের বাড়িতেও যায় সিআইডি। সূত্রের খবর, বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতেও যান সিআইডি আধিকারিকরা।
সিআইডি হানা প্রসঙ্গে বোলপুরের তৃণমূল বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, “এই সব নাটক না করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুবাবু যেহেতু বিধানসভার সেক্রেটারি তিনি বিধায়কদের ডেকে বলতে পারতেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে আপনারা শোভনদেবকে চাইছেন কিনা। বা কতজন চাইছেন দেখতেই পারতেন। তাঁর জন্য কেস করে মানুষকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দিয়ে এটা উচিত হয়নি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিআইডি এসেছিল তখন আমি বাড়িতে ছিলাম না। রাতে আর আসেননি।” তবে স্বাক্ষর করেছেন কিনা তা স্পষ্ট করেননি চন্দ্রনাথ।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, গত ৪ মে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে ১৫ বছরের শাসকদল থেকে বিরোধী দলের তকমা পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কে হবেন বিরোধী দলনেতা? সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে ভোটের ফলপ্রকাশের ঠিক একদিন পরে অর্থাৎ ৬ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে নব নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক ডাকেন মমতা-অভিষেক। সেই বৈঠকের পরেই সর্বসম্মতিক্রমে বিধাসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম পেশ করে তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী দলনেতার নামের সপক্ষে রেজোলিউশনে স্বাক্ষর নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির দায়ের করা মামলার তদন্তে নামে সিআইডি। বেশ কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের স্বাক্ষর নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে দায়ের হয় মামলা। সেই তালিকায় রয়েছেন তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক। আর সে প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিধায়কদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন সিআইডি আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
