‘বিহারের শিশুরা স্টার্ট-আপের স্বপ্ন দেখে, গুন্ডারাজের নয়’, আরজেডিকে বেনজির আক্রমণ মোদির

‘বিহারের শিশুরা স্টার্ট-আপের স্বপ্ন দেখে, গুন্ডারাজের নয়’, আরজেডিকে বেনজির আক্রমণ মোদির

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারে দ্বিতীয় দফার ভোটে আগে রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)-কে ফের আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বলেন, “বিহারের শিশুরা স্টার্ট-আপের স্বপ্ন দেখে। গুন্ডারাজের নয়।” তাঁর অভিযোগ, তেজস্বী যাদব নেতৃত্বাধীন আরজেডি বিহারের শিশুদের মনে বিষ ঢালছে। তারা চায় শিশুরা তোলাবাজে পরিণত হোক। একইসঙ্গে লালু প্রসাদ যাদবের আমলের ‘জঙ্গলরাজ’-এর প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন মোদি।

শনিবার বিহারের একটি জনসভা থেকে মোদি বলেন, “বিহারের শিশুদের জন্য আরজেডি কী করতে চায়, তা তাদের নির্বাচনী প্রচারে স্পষ্টভাবে দেখা গিয়েছে। জঙ্গলরাজের সঙ্গে জড়িতদের স্লোগান শুনুন। আপনারা অবাক হয়ে যাবেন। আরজেডি নিষ্পাপ শিশুদের বলতে বাধ্য করছে, তারা তোলাবাজ, দুষ্কৃতী হতে চায়। বিহারের শিশুরা কি তোলাবাজ হতে চায়? নাকি চিকিৎসক হতে চায়?” সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল (ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানে দেখা গিয়েছিল, বছর দশেকের এক শিশু আরজেডি প্রার্থীর উপস্থিতিতে মঞ্চ থেকে বন্দুক এবং তোলাবাজির কথা বলছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মোদি সেই ভিডিও-র প্রসঙ্গ ধরেই আরজেডিকে তোপ দাগেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আজকের বিহারে যারা গুন্ডারাজ, গ্যাংস্টারের কথা বলেন, তাঁদের কোনও স্থান স্থান নেই। বিহারের শিশুরা এখন স্টার্ট-আপের স্বপ্ন দেখে।”

উল্লেখ্য, এর আগেও মোদি বিহারে দাঁড়িয়ে আরজেডি এবং তেজস্বীকে একাধিক তোপ দেগেছেন। কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকেও। মোদি তোপ দেগে বলেছিলেন, “বিহারে দুই নেতা নিজেদের যুবরাজ বলে দাবি করেছেন। তাঁরা আসলে দুর্নীতির যুবরাজ। তাঁদের পরিবার আসলে দুর্নীতিগ্রস্ত পরিবার।” বিহারে ২০ বছর ধরে ক্ষমতায় নীতীশ কুমার। এর বেশিরভাগ সময় এনডিএর শরিক হিসাবে। অথচ বিহারের ভোটপ্রচারে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নীতীশ শাসনের উন্নয়ন, সাফল্যের চেয়ে বেশি করে তুলে ধরেন ২০ বছরের পুরনো ‘জঙ্গলরাজ’ প্রসঙ্গ। মোদি জানান, “পাঁচটি ‘ক’-কে কেন্দ্র করে এই ‘জঙ্গলরাজ’ প্রতিষ্ঠিত। কাট্টা (দেশি বন্দুক), ক্রুরতা, কটুতা, কুশাসন, এবং দুর্নীতি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *