বাড়িতে উদ্ধার হওয়া কাড়ি কাড়ি টাকার উৎস কী? ব্যাখ্যা দিতে পারলেন না বিচারপতি, শাস্তি অবশ্যম্ভাবী

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


খোদ বিচারপতির বাড়ির স্টোররুম থেকে উদ্ধার কাড়ি কাড়ি পোড়া নোট। দেশজুড়ে আলোড়ন, বিতর্ক। সংসদে অনাস্থা প্রস্তাব। শেষমেশ দিল্লি হাই কোর্টের বিতর্কিত প্রাক্তন বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করল লোকসভা গঠিত তদন্ত কমিটি। ওই রিপোর্টে সাফ বলে দেওয়া হল, বিরাট অঙ্কের ওই টাকা কোথা থেকে এল সেটার কোনও সন্তোষজনক বা যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা দিতে পারেননি ওই বিচারপতি। শুধু তাই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে যে তদন্ত প্রক্রিয়া চলছিল সেটাতেও বিস্তর গলদ রয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর ১৪ মার্চ দিল্লি হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বাংলোয় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই আগুন নেভাতে গিয়ে বিচারপতির বাড়ি থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ পোড়া নোট। ঘটনার পর বিচারপতি বর্মাকে বদলি করা হয় এলাহাবাদ হাই কোর্টে। নগদ উদ্ধার কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের ইন হাউস কমিটির তদন্ত শুরু করে। গঠিত হয় ৩ সদস্যের কমিটি। গত বছরই ৩ মে ওই অনুসন্ধান কমিটি একটি মুখবন্ধ রিপোর্ট জমা দেয় সুপ্রিম কোর্টে। এর মধ্যে আবার লোকসভায় বিচারপতি বর্মার অপসারণের প্রস্তাব পেশ হয়। লোকসভা থেকে তদন্ত কমিটি গড়ে দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন:

লোকসভার সেই তদন্ত কমিটির রিপোর্টে স্পষ্টত বিচারপতি বর্মাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাড়িতে ৫০০ টাকার যে বিপুল অঙ্কের নোট উদ্ধার হয়েছে, সেটার কোনও ব্যাখ্যা ওই বিচারপতি দিতে পারেননি। শুধু তাই নয়, রাতারাতি বিচারপতির বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া বহু নোট উধাও হয়ে যায়। সেটারও কোনও ব্যাখ্যা নেই। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের সব প্রমাণ, সব তথ্য সংরক্ষণ পর্যন্ত করা হয়নি। সব মিলিয়ে গোটা বিষয়ে একাধিক ক্ষেত্রে দোষী ওই বিচারপতি।

লোকসভা নির্দেশিত তদন্ত কমিটি জানিয়ে দিয়েছে, বিচারপতি বর্মার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। লোকসভা ওই রিপোর্টের ভিত্তিতেই বিচারপতি বর্মার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করবে। তিনি অবশ্য আগেই ইস্তফা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *