বছরের শুরুতেই চাকরিহারা ১৬ হাজার কর্মী, খরচ কমাতে আমাজনে বিরাট ছাঁটাই! কী প্রভাব ভারতে?

বছরের শুরুতেই চাকরিহারা ১৬ হাজার কর্মী, খরচ কমাতে আমাজনে বিরাট ছাঁটাই! কী প্রভাব ভারতে?

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


নতুন বছরের শুরুতেই ফের আতঙ্কের পরিবেশ তথ্য প্রযুক্তি সেক্টরে। আগামিকাল অর্থাৎ ২৭ জানুয়ারি প্রায় ১৬ হাজার কর্মী ছাঁটাই করবে আমাজন! সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্টে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। কয়েকদিন আগেই শোনা গিয়েছিল, চলতি বছরে প্রায় ৩০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করতে চলেছে সংস্থাটি। মনে করা হচ্ছে, ২৭ জানুয়ারির এই ছাঁটাই সেটারই অংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে আমাজনের ভারতে যে টিম রয়েছে, তারা বড় সমস্যায় পড়বে।

আরও পড়ুন:

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী দিনে আমাজন আরও বিশাল সংখ্যক কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা ঘোষণা করতে পারে। আশঙ্কা করা হচ্ছে এর ফলে ভারতে সংস্থার যে টিম রয়েছে, সেগুলি প্রতিকূল অবস্থায় পড়তে পারে। সূত্রের খবর, আমাজনের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ যেমন আমাজন ওয়েব সারভিস এবং প্রাইম ভিডিও-তে কর্মীসংখ্যা হ্রাস করা হতে পারে। গত বছরের অক্টোবর মাসে প্রায় ১৪ হাজার ‘হোয়াইট-কলার’ কর্মীকে ছাঁটাই করে আমাজন। সেই ধারাবাহিকতা এখনও বজায় রয়েছে।

আরও পড়ুন:

বলে রাখা ভালো, ২০২২ সালে প্রায় ২৭ হাজার কর্মীকে বসিয়ে দিয়েছিল এই সংস্থা। এরপরে ২০২৩ সালে এক ধাক্কায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করে তারা। করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইন পরিষেবা ঠিক রাখতে বিপুল কর্মী নিয়োগ করে আমাজন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তা ‘বোঝা’ বলেই মনে করছে সংস্থা। ফলে খরচের চাপ সামলাতে এবং বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই বিপুল এই কর্মী সংকোচনের পথে হাঁটতে চলেছে এই ই কমার্স সংস্থা।

আরও পড়ুন:

ব্যায় সঙ্কোচের কথা আমাজন বললেও এর নেপথ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই আছে বলে মনে করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এআই গবেষণায় ব্যাপক টাকা ঢালতে শুরু করেছেন জেফ বেজোস। শুধু আমাজন নয়, গত কয়েকবছরে ফ্লিপকার্ট-সহ একাধিক সংস্থা কর্মসংস্থানের পথে হেঁটেছে। এমনকী ভারতের বৃহত্তম তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসও একাধিক কর্মী ছাঁটাই’য়ের পথে হেঁটেছে। একের পর এক সংস্থায় কর্মী ছাঁটাইয়ে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের মুখে কর্মসংস্থান।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *