যাদবপুর, এসআরএফটিআইয়ের পর এবার রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পড়া পোস্টার ছেড়াকে কেন্দ্র করে এবিভিপি ও এসএফআইয়ের সংঘর্ষ হয়। ক্লাস চলাকালীন এসএফআইয়ের বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এসএফআই। এই ঘটনায় দুই পক্ষের ৬ জন জখম হন। তাঁদের রায়গঞ্জ মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা গিয়েছে, সোমবার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বেশ কিছু পোস্টার লাগিয়েছিল এসএফআই। পরে সেগুলি ছিড়ে দেওয়া হয়। এই নিয়েই দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত। এবিভিপির অভিযোগ, ক্লাস চলকালীন বহিরাগত এসএফআই নেতারা বিশ্ববিদ্য়ালয়ের ক্যাম্পাসে হামলা চালায়। তাঁদের রড দিয়ে মারধর করা হয়। ভেঙে দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট। চলে তাণ্ডব। অন্যদিকে, এসএফআইয়ের অভিযোগ, তাঁদের লাগানো পোস্টার ছিড়ে দিয়েছে এবিভিপি। এমনকী এক এসএফআই সমর্থককে আটকেও রাখা হয়। খবর পেয়ে এসএফআই নেতারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যান। সেখানেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এসএফআইয়ের ২ জন ও এবিভিপির ৪ জন জখম হন। তাঁদের রায়গঞ্জ মেডিক্যালে নিয়ে আসা হলে সেখানেও দুই পক্ষের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
আরও পড়ুন:
এই ঘটনায় এবিভিপি নেতা জিৎ সরকার বলেন, “ক্যাম্পাসে ক্লাস চলাকালীন হামলা চালিয়েছে এসএফআই। রড দিয়ে মারধর করা হয়েছে। অভিযুক্তরা সকলেই বহিরাগত।” এবিভিপির উত্তরবঙ্গের রাজ্য সম্পাদক দ্বীপ দত্ত বলেন, ” ক্যাম্পাসের গেট ভাঙে এসএফআইয়ের বহিরাগতরা। এবিভিপি সমর্থকদের উপর লাঠি দিয়ে প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়।”
এসএফআইয়ের রায়গঞ্জ টাউন সহ-সম্পাদক বিদেশ বর্মন বলেন, “জ্ঞানেশ কুমারের পোস্টার ছেড়া হয়েছে। এসএফআইয়ের এক ছাত্রকে আটকে রেখেছিল। ফোন পেয়ে আমরা ক্যাম্পাসে ঢুকে আমাদের সহযোদ্ধাকে উদ্ধার করি।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
