দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ফের অগ্নিগর্ভ নেপাল, এবারও রাস্তায় জেন জি! বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুরের ঘটনা বেড়েই চলেছে! একাধিক জায়গায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্ফু জারি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন। ওই পরিস্থিতিতে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলো বিশেষত বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। এই রাজ্যের উত্তরবঙ্গের নেপাল সীমান্তেও কড়া নজরদারি চলছে। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কাউকে সীমান্ত পারাপার করতে দেওয়া হচ্ছে না!
গত বছর সেপ্টেম্বরে জেন জি আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল নেপাল। বলেন্দ্র শাহদের আন্দোলনের ধাক্কায় তৎকালীন সরকারের পতন ঘটে। সেই রেশ না কাটতেই জুলাই মাসের শেষ নাগাদ ফের জেন জি পথে নামে। সরকার গঠনের পর নয়া চ্যালেঞ্জের সামনে বলেন্দ্ররা। পরিস্থিতির অবনতি হয়েই চলেছে। রবিবার নেপালে ওয়ার্ড চেয়ারম্যানের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে। সুনসারি হরিনগরে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। সেখানে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া গাড়ি রাস্তায় নেমেছে।
জোড়পাটির নতুন বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলছে। সেই আঁচ যাতে ভারতে না পৌঁছতে পারে, পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে কোনও জঙ্গি, বিচ্ছিন্নতাবাদি শক্তির লোকজন এদেশে ঢুকে পড়তে না পারে, সেজন্য কড়া নজরদারি এপাড়ের সীমান্তে শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই নেপাল সংলগ্ন ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলো বিশেষ করে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। সীমান্ত পারাপারে কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। তল্লাশি অভিযান চলছে। বৈধ পরিচয়পত্র ছাড়া কাউকে সীমান্ত পার হতে দেওয়া হচ্ছে না।
প্রসঙ্গত, নেপালের সঙ্গে ভারতের ১,৭৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। ভারতের উত্তরাখণ্ড, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, সিকিম এবং পশ্চিমবঙ্গ পাঁচ রাজ্য নেপালের সীমান্ত সংলগ্ন। নেপালের বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচ রাজ্যের সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের নেপাল সীমান্তবর্তী দার্জিলিং জেলায় নজরদারি বাড়িয়েছে এসএসবি এবং রাজ্য পুলিশ। সীমান্ত এলাকায় সন্দেহজনক কাউকে দেখলে তল্লাশি করা হচ্ছে। নাকাচেকিংও হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
