ফারাক্কায় বিডিও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনায় এফআইআরের নির্দেশ কমিশনের, ধৃত দুই

ফারাক্কায় বিডিও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনায় এফআইআরের নির্দেশ কমিশনের, ধৃত দুই

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


এসআইআর পর্ব চলাকালীন ফারাক্কায় বিডিও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের হল এফআইআর। ঘটনার পরেই মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তর এফআইআর করার নির্দেশ দেয় বলে সূত্রের খবর। এরপরেই অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্থানীয় ফারাক্কা থানায় এফআইআর দায়ের করেন ফারাক্কার বিডিও। সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন:

এসআইআরের শুনানি পর্বে ভোটারদের হয়রানির শেষ নেই! সাধারণ মানুষের হয়রানি থেকে বিএলওদের, ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছেই। যা নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে শাসকদল তৃণমূল। এমনকী মানুষের হয়রানি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে একাধিক চিঠিও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মধ্যেই এদিন এসআইআর পর্ব চলাকালীন ফারাক্কায় বিডিও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসআইআরের নাম করে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষদেরকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এই অভিযোগ তুলে চলে বিক্ষোভ। শুধু তাই নয়, বিক্ষোভকারীদের দাবি, শুনানির জন্য আসা মানুষজন প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে শুনানিতে হাজির হচ্ছেন। কিন্তু তাঁদেরকে নথি জমা নেওয়ার কোনও ‘রিসিভ’ দেওয়া হচ্ছে না। এর ফলে আগামী দিন এই ভোটারদেরকে অনুপস্থিত দেখিয়ে তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে বলেও আশঙ্কা।

এই প্রসঙ্গে ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম বলেন, “এসআইআর প্রক্রিয়ায় মানুষের হয়রানির জন্য কিছু মানুষ আজ ভাঙচুর চালিয়েছেন।” এই প্রসঙ্গে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে একহাত নেন বিধায়ক। তিনি বলেন, “ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গেলে যদি গুলি খেতে হয় আমি তাতেও রাজি। কোনও ব্যক্তির ৬-৭ জন সন্তান থাকলে তাঁকে অদ্ভুত সব কাগজ দেখাতে বলা হচ্ছে। আমরা আর কোনও কাগজ দেখাবো না।” কমিশন পদক্ষেপ না নিলে বিডিও অফিসে ধর্নায় বসারও হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক। তবে ভাঙচুরের ঘটনা সামনে আসতে নড়েচড়ে বসে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তর। ঘটনায় এফআইআর দায়ের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে সূত্রের খবর। সেই মতো ফারাক্কা থানায় এফআইআর দায়ের করেন ফারাক্কার বিডিও।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *