প্রশাসক সরিয়ে কেন কলেজের গর্ভনিং বডিতে বিজেপির বিধায়ক-সাংসদ? ব্যাখ্যা দিলেন শমীক

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


পালাবদলের পরই শিক্ষাঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করতে স্কুল-কলেজের গর্ভনিং বডি ভেঙে দিয়েছিল সরকার। বসানো হয়েছিল প্রশাসককে। শনিবার সেই প্রশাসকদের সরিয়ে কলেজের গর্ভনিং বডির প্রেসিডেন্ট পদে বসানো হয়েছে বিজেপির সাংসদ-বিধায়কদের। তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। রবিবার হাওড়া থেকে তা নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি,  শিক্ষাঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করতেই এই সিদ্ধান্ত। 

বাম জমানায় শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতির শুরু। বলা হয়, সেই সময় শিক্ষাক্ষেত্রে ‘অনিলায়ন’ হয়েছিল! কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনীতির কলকাঠি নাড়ানো হত আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে। সেই সময় সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক ছিলেন অনিল বিশ্বাস। তাঁর অঙ্গুলিহেলনেই নাকি চলত সবটা। ৩৪ বছরের বাম সাম্রাজ্যের পতন ঘটলেও শিক্ষাঙ্গণ থেকে রাজনীতির বিদায় ঘটেনি। ‘অনিলায়নে’র পর ‘তৃণমূলায়ন’ দেখেছে বাংলা। দলীয় পতাকাকে সামনে রেখে শিক্ষাঙ্গণকে কার্যত রাজনীতির আখড়া করে তোলা হয়েছিল। ভর্তি থেকে শুরু করে কর্মীদের বিভিন্ন বিষয়েও চলছিল দাদাগিরি। 

আরও পড়ুন:

ঠিক কী বলেছেন শমীক? তাঁর দাবি, সচেতনভাবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যা দিয়ে বললেন, “আমরা বলেছি শিক্ষাঙ্গনকে আমরা রাজনীতিমুক্ত করব। আগে মহিলা অধ্যাপিকার দিকে জগ ছুড়ে মারা হত। সেগুলো আটকানোর তো লোক দরকার। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত। এনারা দেখবেন যাতে কলেজে কোনওরকম অশান্তির পরিবেশ তৈরি না হয়।” 

উল্লেখ্য, বাম জমানায় শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতির শুরু। বলা হয়, সেই সময় শিক্ষাক্ষেত্রে ‘অনিলায়ন’ হয়েছিল! কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনীতির কলকাঠি নাড়ানো হত আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে। সেই সময় সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক ছিলেন অনিল বিশ্বাস। তাঁর অঙ্গুলিহেলনেই নাকি চলত সবটা। ৩৪ বছরের বাম সাম্রাজ্যের পতন ঘটলেও শিক্ষাঙ্গণ থেকে রাজনীতির বিদায় ঘটেনি। ‘অনিলায়নে’র পর ‘তৃণমূলায়ন’ দেখেছে বাংলা। দলীয় পতাকাকে সামনে রেখে শিক্ষাঙ্গণকে কার্যত রাজনীতির আখড়া করে তোলা হয়েছিল। ভর্তি থেকে শুরু করে কর্মীদের বিভিন্ন বিষয়েও চলছিল দাদাগিরি।  সেই ঘুঘুর বাসা ভাঙতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিজেপি সরকার। ক্ষমতায় আসার পরই সরকার পোষিত স্কুল-কলেজগুলোর গর্ভনিং বডি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, গর্ভনিং বডিতে আর থাকবেন না কোনও রাজনৈতিক প্রতিনিধি। এতে শিক্ষা থেকে রাজনীতিকে আলাদা করা সম্ভব হবে। কিন্তু দেখা গেল, ফের গর্ভনিং বডির প্রেসিডেন্ট পদে বসলেন বিজেপির বিধায়ক-সাংসদরা। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *