প্রতিবেশীকে নেমন্তন্ন করে খাইয়ে মুন্ডু কেটে ঠাকুরঘরে পুঁতল ব্যক্তি! বউকে ফিরে পেতে ‘কালো জাদু’?

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


স্ত্রী ছেড়ে চলে গিয়েছেন অনেকদিন আগে। ফেরত পেতে প্রতিবেশী গ্রামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে মাথা কেটে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।

জানা গিয়েছে, ১৮ আগস্ট থেকে নিখোঁজ ছিলেন বছর পঁয়তাল্লিশের সন্তোষ খারসেল। ২০ আগস্ট তাঁর মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধার হয় পুকুর থেকে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই সন্তোষকে শেষবার দেখা গিয়েছিল সাহু নামে একজনের সঙ্গে। তাঁকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর তিনি ভেঙে পড়ে জানান, ওই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়েছিল। উত্তপ্ত বাদানুবাদের পর তাঁকে খুন করে দেহ দু’টুকরো করে দেন তিনি! কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদ আরও এগতে থাকার পর সাহু দাবি করেন, আসল ঘটনা অন্য। এর নেপথ্যে রয়েছে তাঁর স্ত্রীর গৃহত্যাগ। অনেকদিন আগে চলে যাওয়া স্ত্রীকে ফেরাতেই এই কাজ করেছেন তিনি। তাই নিমন্ত্রণ করে ডেকে ভরপেট খাইয়েছিলেন সন্তোষকে। খাওয়ার পরে তিনি যখন ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন, তখনই ধারালো অস্ত্রে কেটে দেন তাঁর মাথা। ঠাকুরঘরের মেঝেতে সেই মাথা পুঁতে দেন। দেহটি ফেল আসেন পুকুরে। তদন্তকারীদের অনুমান, ‘কালাজাদু’ করার জন্যই তিনি এই ‘কীর্তি’ করেছেন। গোটা ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

আরও পড়ুন:

তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন, ”প্রাথমিক ভাবে আমাদের সন্দেহ ছিল, মাথাটা কেটে ফেলা হয়েছিল পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে। কিন্তু ঠাকুরঘরের মেঝেতে দেহ মেলার পরই আমাদের ধারণা বদলে যায়। মনে হচ্ছে এটা অন্ধ বিশ্বাসের ব্যাপার। এমনকী, আক্রান্ত ও ঘাতকের কেউই একে অপরকে চিনতেন না। সেদিনই প্রথম দেখা হয়। সাহু ওঁকে আমন্ত্রণ জানান।” পুরো বিষয়টিই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িয়ে আছেন কিনা সেটাও দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন বছর দশেক আগে।

আরও পড়ুন:

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *