পেশায় পরিচারিকা, ছাব্বিশে কমিশনের খাতায় ‘বিচারাধীন’ কলিতাতেই আস্থা বিজেপির

পেশায় পরিচারিকা, ছাব্বিশে কমিশনের খাতায় ‘বিচারাধীন’ কলিতাতেই আস্থা বিজেপির

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


কমিশনের খাতায় ‘বিবেচনাধীন’ কলিতাতেই আস্থা বিজেপির। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরও গুসকরা শহরের বাসিন্দা পেশায় পরিচারিকা কলিতা মাজিকেই টিকিট দিল পদ্মশিবির। ছাব্বিশের নির্বাচনে আউশগ্রামের প্রার্থী তিনি। কিন্তু ভোটার তালিকায় খোদ অ্যাডজুডিকেশন তালিকায় নাম থাকা কলিতা কি ভোট নিজে দিতে পারবেন? বিচারাধীনের তালিকায় নাম থাকা অবস্থায় কোনও ভোটার কি প্রার্থী হতে পারেন? এই প্রশ্ন তুলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে এলাকায়।

এই বিষয়ে আরও খবর

ভোটার তালিকায় খোদ অ্যাডজুডিকেশন তালিকায় নাম থাকা কলিতা কি ভোট নিজে দিতে পারবেন?

পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত। আউশগ্রাম বিধানসভা তপসিলি জাতি সংরক্ষিত আসন। বিগত নির্বাচনে কলিতা মাজিকে প্রার্থী করে কার্যত চমক দিয়েছিল বিজেপি। গুসকরা পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝপুকুর পাড়ের বাসিন্দা কলিতা মাজি পেশায় পরিচারিকা। বাড়িতে রয়েছেন স্বামী ও এক ছেলে। ছেলে পার্থ এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। গুসকরা পুরসভার ১৯৫ নম্বর বুথের ভোটার কলিতা মাজি। এসআইআরের পর আংশিক চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় ওই বুথে ৩৯৭ নম্বর সিরিয়ালে রয়েছে কলিতা মাজির নাম। কিন্তু তাঁর নামের উপর লেখা ‘আণ্ডার অ্যাডজুডিকেশন’। কিন্তু দেখা গেল প্রার্থী হিসেবে সেই বিবেচনাধীন ভোটারেই আস্থা বিজেপির। কিন্তু আদৌ ভোটের লড়াইয়ে শামিল হতে পারবেন কলিতা?

কলিতার কথায়, “আমার উপযুক্ত নথিপত্র আছে। সবকিছু দাখিল করেছি। এরপর কমিশন যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে। তবে আমার বিশ্বাস যোগ্য ভোটার হিসাবে আমার যথাযথ নথিপত্র রয়েছে। দল আমাকে প্রার্থী করেছে। আমি আত্মবিশ্বাসী এবার আমরাই জিতব।” এবিষয়ে গুসকরা পুরসভার চেয়ারম্যান কুশল মুখোপাধ্যায় বলেন, “শুধুমাত্র বিজেপির প্রার্থী নন, গুসকরা পুরসভার ১৬ টি ওয়ার্ড মিলে প্রায় দেড় হাজার ভোটারের নাম অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় রয়েছে। নির্বাচন কমিশন বিজেপির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সাধারণ মানুষদের ধোঁকা। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য।”

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *