হাতে মাত্র একদিন। নিয়ম মতো আজই শেষ প্রচার ছিল ফলতায়। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে শুভেন্দু অধিকারীর ২৫ কিলোমিটার মিছিল ঘিরে দিনভর দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই কেন্দ্র সাজো সাজো রব। এ সবের মাঝেই তৃণমূলের ‘ভরসা’ জাহাঙ্গির খান আউট হয়ে গেলেন! ফলতা কেন্দ্রে ভোটের লড়াই তো দূর, রাজ্যের পরিবর্তনের ঝড় দেখে রীতিমতো পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলেন তৃণমূলের ‘পুষ্পা’। আর এই সুযোগকে হাতছাড়া না করে তৃণমূল কর্মীদের দিকে ‘হাত’ বাড়িয়ে দিল কংগ্রেস।
এই বিষয়ে আরও খবর
ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর পরেই আসরে নেমে পড়লেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “বিজেপির সঙ্গে একমাত্র কংগ্রেসই। কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুল রেজ্জাক মোল্লাকে সমর্থন করুন।” পাশাপাশি তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে কংগ্রেসকে সমর্থনের বার্তাও দেন তিনি। কংগ্রেস নেতার স্পষ্ট বার্তা, “তৃণমূল সমর্থকদের বলব যাঁরা অনেক অত্যাচার সহ্য করেছেন। আপনাদের নেতৃত্বরা বারবার আপনাদের অন্যায়ের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। বাংলার উন্নয়নের স্বার্থে কংগ্রেসের প্রতিনিধিকে বিধানসভায় পাঠান। বিজেপি বিরোধী শক্তি হয়ে তৃণমূলের যত সমর্থক আছেন সকলে কংগ্রেসকে সমর্থন করুন।”
ফলতার ‘ডাকাবুকো’ নেতা হিসাবে পরিচিত জাহাঙ্গির খান। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে থেকেই শিরোনামে তিনি। ওই এলাকায় ভোটের আগে উত্তরপ্রদেশের দুঁদে পুলিশ আধিকারিক ‘সিংহম’ অজয় পাল শর্মাকে পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে পাঠায় নির্বাচন কমিশন। ভোটের মধ্যেই গত ২৯ এপ্রিল ভোটের আগে পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মার হুঁশিয়ারির পরেও জাহাঙ্গির বলেছিলেন, ‘পুষ্পা ঝুঁকেগা নেহি।’ তারপর রাজনৈতিক পরিস্থিতির বদল ঘটে। গেরুয়া শিবিরের ঝড়ে কার্যত পর্যুদস্ত তৃণমূল। এরমধ্যেই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্ট থেকে রক্ষাকবচও নিয়েছেন। কিন্তু লড়াইয়ের আগেই হেরে ভূত হয়ে গেলেন তৃণমূলের ‘পুষ্পারাজ’!
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
