সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশে কট্টরপন্থীদের তাণ্ডব। ভারত-বিদ্বেষের পালে হাওয়া দিতে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছায়ানটে রাতভর চলল ধ্বংসযজ্ঞ। পুড়িয়ে দেওয়া হল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি-বই। ভেঙে ফেলা হল অসংখ্য বাদ্যযন্ত্র।
বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে ছায়ানট হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ করে দেওয়া ভবনে। আছড়ে ভেঙে ফেলা হয় হারমোনিয়াম-সহ বহু বাদ্যযন্ত্র। পাশাপাশি, পুড়িয়ে দেওয়া হয় রবি ঠাকুরের বই এবং ছবি। শুধু তাই নয়, জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে বহু বাদ্যযন্ত্রও। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “রাতে একদল বিক্ষোভকারী হঠাৎ ভবনে হামলা চালায়। ভবনের চার ও পাঁচ তলায় আগুন দেওয়া হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল। নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন।” এদিন রাতে মুজিবের বাড়ি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ভাঙচুর চালায় উন্মত্ত জনতা। বাড়ি গুঁড়িয়ে দিতে চালানো হয় বুলডোজার।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে দশটা নাগাদ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় হাদির। ঢাকা ৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র্য প্রার্থী ছিলেন তিনি। বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। সেই সময় নমাজ সেরে রিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে সেখান থেকে পাঠানো হয় সিঙ্গাপুরে। পুলিশ সূত্রে খবর, মোটর সাইকেলে এসে দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। তবে কে বা কারা হামলা করল, তা এখনও অজ্ঞাত। বুধবার রাতেই ইউনুসের প্রেস উইং জানিয়েছিল, হাদির শারীরিক অবস্থা রীতিমতো উদ্বেগজনক। সেই ঘোষণার পর থেকেই বাড়ছিল আশঙ্কা। অবশেষে বৃহস্পতিবার মিলল দুঃসংবাদ। আর তারপরই উত্তপ্ত হল বাংলাদেশ।
