‘পাঁঠার মাংস প্রসাদ’, পুজোয় আমিষ বিতর্কে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন দিলীপ ঘোষ

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


দুর্গাপুজোয় আমিষ-নিরামিষ খাবার বিতর্কের মাঝে আমিষের পক্ষ নিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে নিউটাউনের ইকো পার্কে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। একইসঙ্গে খাওয়াদাওয়া নিয়ে বিতর্কিত ‘নিদান’ নিয়ে অভিযোগের তির ঘোরালেন তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। দিলীপের অভিযোগ, কে কী খাবে, সেসব বলে দিত তৃণমূল। সম্প্রতি পুজোর মধ্যে আমিষ খাওয়া নিয়ে মধ্যপ্রদেশের সাধু ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী ওরফে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের ঝড় ওঠায় মন্ত্রীর মন্তব্য, ‘‘শরীর-স্বাস্থ্যের কথা ভেবে সাধু-সন্ন্যাসীরা সবসময়ই নিরামিষের পক্ষে কথা বলেন।”

বাগেশ্বর বাবার মতে, যাঁরা পুজোর সময় আমিষ খাবার খান, তাঁরা ‘পাখণ্ডী’ বা অধার্মিক। মাছ বা মাংসভোজী দিলীপ ঘোষ কি সেই তকমা মেনে নিতে প্রস্তুত? এর জবাবে মন্ত্রীর পালটা প্রশ্ন, ‘‘ওঁর কাছে যে ভক্তরা যান, উনি কি হলফ করে বলতে পারবেন, তাঁদের একজনও মাছ-মাংস খান না?”

আরও পড়ুন:

মঙ্গলবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর দিলীপ ঘোষকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। পুজোয় আমিষ-নিরামিষ বিতর্ক নিয়ে জানতে চান তাঁর মতামত। তাতে দিলীপ ঘোষের স্পষ্ট মন্তব্য, ‘‘আমি তো মাছ ছাড়া কিছু খাই না। সেটা বড় কথা নয়। যে যা চাইবে তাইই খাবে। এনিয়ে বিতর্কের জায়গা নেই। পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর সময় পাঁঠা বলি হয়। পাঁঠার মাংস প্রসাদ হিসেবে খাওয়া হয়। মা কালী থেকে শুরু করে যে কোনও দেবীকে বলি উৎসর্গ করা হয়। ফলে পুজোর পর পাঁঠার মাংস খাওয়া নিয়ে কোনও বিতর্ক থাকতে পারে না। কোনও কোনও সাধুসন্ত বলেন, নিরামিষ খাওয়া ভালো, কিন্তু বাধ্যবাধকতা নেই।”

কিন্তু বাগেশ্বর বাবার মতে, যাঁরা পুজোর সময় আমিষ খাবার খান, তাঁরা ‘পাখণ্ডী’ বা অধার্মিক। মাছ বা মাংসভোজী দিলীপ ঘোষ কি সেই তকমা মেনে নিতে প্রস্তুত? এর জবাবে মন্ত্রীর পালটা প্রশ্ন, ‘‘ওঁর কাছে যে ভক্তরা যান, উনি কি হলফ করে বলতে পারবেন, তাঁদের একজনও মাছ-মাংস খান না? সাধুরা তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গিতে কথা বলেন, যেহেতু নিরামিষ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি আলাদা। আমরা এখানে মা কালীর ভক্ত। বিবেকানন্দ বলেছিলেন, যতদিন যতদিন দেশ থাকবে মা কালী পাঁঠা খাবেন, শিব ডমরু বাজাবেন।” উল্লেখ্য, একই কথা শোনা গিয়েছিল রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর গলায়। যদিও এবিষয়ে মৌনতা অবলম্বন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *