যুদ্ধের আবহে গ্য়াস নিয়ে বিপাকে মধ্যবিত্ত। হেঁশেলে প্রায় তালা দেওয়ার জোগাড়। এই পরিস্থিতিতে বুধবার সর্বদলীয় বৈঠক করে কেন্দ্র। সেই বৈঠক বয়কট করে তৃণমূল। এই প্রসঙ্গে সাগরিকা ঘোষের যুক্তি, “পর্দার আড়ালে এই ইস্যুতে কোনও আলোচনা নয়। বরং এই বিষয়ে সংসদে খোলামেলা আলোচনা হোক।”
No Shri @KirenRijiju the @AITCofficial didn’t attend the All Social gathering Assembly on West Asia NOT as a result of we’re “travelling” . We didn’t attend due to our PRINCIPLED STAND that at a time of #LPGcrisis, when PARLIAMENT is in SESSION, the federal government should enable a full free… pic.twitter.com/QFxWQfa8PA
— Sagarika Ghose (@sagarikaghose) March 25, 2026
এদিন প্রায় ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে কিরেন রিজিজু বলেন, “বিরোধী দলের সব নেতারা বলেছেন যে এই সংকটকালে সরকারপরিস্থিতি অনুযায়ী যে সিদ্ধান্তই নিক, যে পদক্ষেপই গ্রহণ করুক, সকলেই ঐক্যবদ্ধভাবে সমর্থন করবেন।” যুদ্ধবিধ্বস্ত হরমুজ প্রণালী দিয়ে এলপিজি আসা নিয়ে বিরোধী দলগুলির উদ্বেগের জবাবে সরকার বলেছে, সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে চারটি জাহাজ ভারতের বন্দরে ভিড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। সরকার জোর দিয়ে বলেছে, কোনও ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। বিরোধীরা কূটনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুললে সরকারের তরফে দাবি করা হয়, “ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ” রয়েছে। “উদ্বেগের কিছু নেই” এবং আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে যে কোনও সময় বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী কেন্দ্রীয় সরকার।
আরও পড়ুন:
একথা বললেও এলপিজি ও পিএনজি নিয়ে একাধিক নির্দেশিকার কারণ কী, জানায়নি কেন্দ্র। সিঙ্গল সিলিন্ডার ২৫ দিনে বুকিং নিয়মের পর ৩৫ দিনে ডাবল সিলিন্ডার বুক করা যাবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক। এছাড়াও এলপিজি-র বদলে নলবাহিত গ্যাসে (পিএনজি)-তে জোর দেওয়া হচ্ছে। যে অঞ্চলে নলবাহিত (পাইপলাইন গ্যাস বা পিএনজি) রান্নার গ্যাস নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেখান গ্রাহকরা তা না নিলে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে বাড়ির এলপিজি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
