পরিবারতন্ত্র পরিত্যাগের বুলিই সার! নীতীশ সরতেই বিহারে মন্ত্রী হলেন ছেলে নিশান্ত

পরিবারতন্ত্র পরিত্যাগের বুলিই সার! নীতীশ সরতেই বিহারে মন্ত্রী হলেন ছেলে নিশান্ত

রাজ্য/STATE
Spread the love


বিহার রাজনীতিতে ফের পরিবারতন্ত্রের পদধ্বনি। এতদিন পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতিকে পাশ কাটিয়ে চলা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পুত্র নিশান্ত কুমার এবার সে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হয়ে গেলেন। বৃহস্পতিবার সরকারিভাবে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। মোট ৩২ জন মন্ত্রীকে বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগ করেছেন তিনি। সেখানে স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর এখন নিশান্তের হাতে।

এতদিন শোনা যাচ্ছিল, সম্রাট চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রী হলেও দুই উপমুখ্যমন্ত্রী পাবে জেডিইউ। তাঁদের মধ্যে একজন হতে চলেছেন নীতীশ কুমারেরই ছেলে নিশান্ত কুমার। শোনা যাচ্ছে, গোটা দল চাইছিল নিশান্ত উপমুখ্যমন্ত্রী হন। তাঁকে বারবার অনুরোধও করা হয়। কিন্তু তিনি কোনওভাবেই রাজি হননি। নিশান্ত জানেন, এখনই তিনি এত বড় পদে বসে গেলে দলের সিনিয়র নেতাদের কারও কারও মনে ক্ষোভ তৈরি হতে পারে। নিশান্তের আরও যুক্তি, রাজনীতিতে তিনি সদ্য পা রেখেছেন। সেদিক থেকে দেখতে গেলে তিনি শিক্ষানবিশ। আপাতত শুধুই শিখতে চান। সেই নিশান্তকেই এবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মতো গুরুভার দিয়ে দিলেন সম্রাট চৌধুরী। এর বাইরে মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে রেখেছেন স্বরাষ্ট্র দপ্তর। বিজেপি-জেডিইউ দুই দলের মধ্যে সমানভাবে ক্ষমতা বণ্টন হয়েছে।

আরও পড়ুন:

Bihar Cabinet: Nitish Kumar's son Nishant becomes health minister
মন্ত্রীপদে শপথ নিশান্তের। ছবি: সোশাল মিডিয়া।

বিহারের রাজনীতিতে বার বার উঠে এসেছে পরিবারতন্ত্রের কথা। সব নেতাই চেষ্টা করেছেন পরবর্তী প্রজন্মকে রাজনীতির ময়দানে একটি পাকাপোক্ত জায়গা করে দিতে। তবে সেই ধারা থেকে কিছুটা ব্যতিক্রম ছিল নীতীশের দল জেডিইউ। বাবা ১০ বারের মুখ্যমন্ত্রী হলেও এতদিন রাজনীতির ধার মাড়াননি ৫০ বছর বয়সী নিশান্ত। সবসময়ই প্রচারের আলো থেকে দূরে ছিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগও ছিল না। তবে চিরাচরিত সেই ধারায় কিছুটা ব্যতিক্রম দেখা যায় বিহারের শেষ বিধানসভা নির্বাচনে। বাবার সঙ্গে তিনিও সক্রিয়ভাবে ভোট পরিচালনা করেছেন। কিছুদিন আগেই সরকারিভাবে জেডিইউতে যোগ দিয়েছেন। এবার সোজা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কুরসি সামলাবেন।

পেশায় তথ্য প্রযুক্তি কর্মী নিশান্ত বিআইটিএস মেসরা থেকে পড়াশোনা করেছেন। তিনি এক সময়ে নিজেই জানিয়েছিলেন রাজনীতিতে তাঁর কোনও আগ্রহ নেই এবং তিনি রাজনীতি বোঝেন না। তাঁর প্রথম পছন্দ আধ্যাত্মিকতা। যদিও, সাম্প্রতিক অতীতে তাঁকে বাবার সঙ্গে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে। দলের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক আলোচনাতেও তিনি অংশ নিচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছিল। এবার বিহার রাজনীতির চিরাচরিত ধারায় হেঁটে জেডিইউ-র ব্যাটন উঠতে চলেছে তাঁর হাতে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *