পদ্মাপারে তুঙ্গে বিদ্বেষ! ‘ভারতের সম্পত্তি রক্ষা করব’, জেনারেল দ্বিবেদীকে ফোনে বার্তা বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের

পদ্মাপারে তুঙ্গে বিদ্বেষ! ‘ভারতের সম্পত্তি রক্ষা করব’, জেনারেল দ্বিবেদীকে ফোনে বার্তা বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনে আগ্রহ ছিল না উপদেষ্টা সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসের। চাপের মুখে রাজি হলেও, দেশের অভ্যন্তরে একের পর এক নির্মম হত্যাকান্ড প্রায় লন্ডভন্ড করে দিয়েছে সব পরিকল্পনা। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের বহু নিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে দেশজুড়ে। বাংলাদেশে বহু ভারতীয় সম্পত্তি মৌলবাদী আক্রমণের শিকার হয়েছে ইউনুসের জমানায়। এর মধ্যে অন্যতম, চট্টগ্রামের ভারতীয় দূতাবাস। জানা গিয়েছে, এবার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রসঙ্গে আলোচনা চলছে ভারত এবং বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের মধ্যে। ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীকে ভারতীয় সম্পত্তি রক্ষার আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সিএনএন-নিউজ১৮-এর খবরে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেই স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ভারত ও বাংলাদেশের সেনাপ্রধানরা সরাসরি আলোচনা করছেন। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ভারতীয় সেনা প্রধানকে আশ্বস্ত করেছেন সম্পদের নিরাপত্তার বিষয়ে। জানা গিয়েছে, ওয়াকার আশ্বস্ত করেছেন, বাংলাদেশে থাকা সমস্ত ভারতীয় সম্পদ নিরাপদ থাকবে। দেশের অভ্যন্তরে উত্তেজনা বাড়লেও নিরাপত্তা বজায় রাখার প্রশ্নে ঢাকার প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

ভারত বিরোধী নেতা শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে দেশব্যাপী অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। প্রথম আলো এবং দা ডেইলি স্টারের অফিসে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। ময়মনসিংহে হিন্দু যুবক দীপু দাসের হত্যার ঘটনা বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে। অভিযোগ উঠছে, ইউনুস প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তার জেরেই পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ আকার নিয়েছে। প্রশ্নের মুখে সে দেশের নির্বাচন। ভারত বার বার সেদেশে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের উপর জোর দিয়েছে। স্বচ্ছ নির্বাচনের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা জানিয়েছে। কিন্তু, রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা, অনির্দিষ্টকালের জন্য নির্বাচন পিছিয়ে দিতেই গভীর ষড়যন্ত্র রচিত হয়েছে।

বাংলাদেশের মসনদে মহম্মদ ইউনুস আসার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ক্রমশ খারাপ হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সমস্যার জন্য ভারতের দিকে আঙুল তুলেছে সেখানকার নেতারা। নেত্রকোনা-২ আসনের প্রার্থী গাজি আবদুর রহিম রুহি কড়া সুরে জানান, ওসমান হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত দেশে কোনও নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। তাঁর অভিযোগ, “ভারতের ষড়যন্ত্রে প্রকাশ্য দিবালোকে আমার ভাই ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।”

এই অবস্থায় দুই দেশের সেনা প্রধানের আলোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইউনুসের জমানায় কাছাকাছি এসেছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান। সেই অবস্থায় বাংলাদেশে থাকা ভারতের সম্পত্তি রক্ষায় সেনা প্রধানের বার্তার মধ্যে আসলে ইউনুস বিরোধীতার প্রচ্ছন্ন সুর খুঁজে পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *