নীতীন বার্তার পরই নিচুতলায় কঠোর বিজেপি! শিবির-কর্মসূচির টাকা দিচ্ছে কে, হিসাব চেয়ে নির্দেশ পদ্মে

রাজ্য/STATE
Spread the love


দলের কর্মসূচিতে কোথা থেকে টাকা এসেছে? খরচ কোন খাতে কত? বিস্তারিত হিসাব এবার বঙ্গ বিজেপির নিচুতলাকেও জানাতে হবে। আর্থিক অস্বচ্ছতা ও দুর্নীতির প্রশ্নে যে কোনও আপস করা হবে না সেটাই স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে বিজেপি। পচা শামুকে যেন পা না কাটে সেটাও লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়াও রাজনৈতিক মহলের মত, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শুদ্ধিকরণের প্রয়াস শুরুই করে দিল বলা চলে।

দলের কোনও কর্মসূচির খরচ কারা দিয়েছে, কতটা টাকা আয় হয়েছে, ব্যয় কত, তার বিস্তারিত হিসাব এবার দিতে হবে বিজেপির মণ্ডল ও জেলা কমিটিগুলিকে। গত ৪ মে-র পর থেকে এই খরচের হিসাব লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল।

আরও পড়ুন:

বিজেপি সূত্রে খবর, নিচুতলা থেকে একাধিক অভিযোগ রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আসার পরই এই হিসাব চাওয়া হয়েছে। মণ্ডল বা জেলাস্তরে পার্টির একাধিক কর্মসূচি হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শিবির থেকে শুরু করে দলের তরফে কোনও বড় সভা বা পিকনিক হলেও যে খরচ হচ্ছে তার আয়ের উৎস কী? সেটাই এবার জানতে চেয়েছেন বনশল। নিচুতলায় দলের আয়ের ক্ষেত্রে যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে তেমনই নির্দেশ এবার শীর্ষনেতৃত্বের।

মণ্ডলস্তরে কোনও দলীয় কর্মসূচিতে আয় ও ব্যয়ের হিসাব সেই মণ্ডল সভাপতিকে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট জেলার সভাপতিকে। আবার জেলাস্তরে কোনও বড় কর্মসূচি হলে তার আর্থিক খরচের হিসাব জেলা সভাপতি জমা দেবেন সেই জেলার ইনচার্জকে। জেলা ইনচার্জ সেই হিসাব জমা দেবেন রাজ্য কমিটির কাছে।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতি-দাদাগিরি- তোলাবাজি-সিন্ডিকেট রাজ নিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’। রবিবার বঙ্গ সফরে এসে দলীয় বৈঠকে রাজ্য নেতাদের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিয়ে গিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। বাংলায় দল ক্ষমতায় আসার পর নানা অভিযোগ উঠছে নিচুতলায় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। দলের নাম ভাঙিয়ে ব্যক্তিস্বার্থেও টাকা তোলার অভিযোগ আসছে।

এই আবহে বিজেপির সর্বস্তরে নীতিনের সতর্ক বার্তা ছিল, দলে দুর্নীতি-তোলাবাজি-দাদাগিরি-সিন্ডিকেটরাজ চলবে না। তৃণমূলকে একারণেই মানুষ সরিয়ে দিয়েছে। এসব বর্জন করতে হবে। দল সবার দিকে নজর রাখছে। কেউ এসবে যুক্ত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নীতিনের এই বার্তার পরই নিচুতলায় নজরদারি শুরু করে দিল বিজেপি। বিজেপির এক রাজ্য নেতার কথায়, কোনওভাবেই আমাদের দলের ‘তৃণমূলীকরণ’ হবে না। দলের প্রতিটা কর্মসূচিরই আয়-ব্যয়ের হিসাব এবার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে দিতে হবে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *