নিজের কাজেই একঘরে আমেরিকা, মিউনিখে বৈশ্বিক কূটনীতি নিয়ে বিস্ফোরক জয়শংকর

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


বৈশ্বিক কূটনীতির মানচিত্র বদলে যাচ্ছে। একদিকে যখন নতুন রূপে চিনের উত্থান হচ্ছে, অন্যদিকে ক্রমশ একা হয়ে পড়ছে আমেরিকা। দীর্ঘদিন যাবৎ গোটা পৃথিবীতে ছড়ি ঘোরানো মার্কিন শক্তির একঘরে হওয়ার পিছনে তারা নিজেরাই দায়ী। মিউনিখের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর।

৬২তম আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলন চলছে মিউনিখে। সেখানে নিজের ভাষণে জয়শংকর বর্তমান পৃথিবীর কূটনৈতিক পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন— আমেরিকা ও চিনের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা অব্যাহত, মধ্যম সারির শক্তিগুলির ক্রমবর্ধমান আত্মনির্ভরতা ও উত্থান দেকা যাচ্ছে। এই রাষ্ট্রশক্তিগুলির মধ্যে পারস্পারিক অংশীদারিত্বের বৈচিত্র্য তৎসহ কূটনৈতিক ঝুঁকি কমানোর প্রচেষ্টা বর্তমান আন্তর্জাতিক অবস্থাকে নতুন ভাবে গড়ে তুলছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী মন্তব্য করেন, “এই কক্ষে উপস্থিত কেউ অস্বীকার করবেন না যে, আজকের প্রেক্ষাপট প্রধানত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক আমূল অবস্থান বদল দ্বারাই চিহ্নিত।”

আরও পড়ুন:

আমেরিকার এই ‘একঘরে’ পটপরির্তনকে ‘ইচ্ছাকৃত’ বলেও উল্লেখ করেন জয়শংকর। এরপরেই তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক অবস্থার দ্বিতীয় প্রধান বৈশিষ্ট্য হল চিনের উত্থান। বিশ্বব্যাপী পণ্য উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই চিনের দখলে। দেশটির অর্থনৈতিক সক্ষমতা ক্রমশ রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে। বলেন, “চিন নিজেকে একটি অনন্য রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করে। যা একদিকে যেমন তাদের নিজস্ব ধারণা, তেমনি অনেক দিক থেকে বাস্তব সত্যও।” আজকের পৃথিবী আমেরিকা ও চিনের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সাক্ষী। যা ওই দুই দেশকে ছাপিয়ে অন্যদেরও প্রভাবিত করছে।

আরও পড়ুন:

ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, আজ আর কেবল দু’টি দেশের (বড় শক্তির) মধ্যে প্রতিযোগিতা সীমাবদ্ধ নয়। প্রত্যেক দেশ তার নিজের প্রভাবকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। যোগ করেন, আজকে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ‘পারস্পরিক নির্ভরতার জটিলতা’ও বিদ্যমান। সরাসরি ভারতের নাম না নিয়েও জয়শংকর বলেন, উদীয়মান ও মধ্যম সারির শক্তিগুলি নিজেদের স্বার্থ সম্পর্কে ক্রমশ সচেতন হয়ে উঠছে, অধিকতর আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের চেষ্টা করছে। তারা নিজেদের স্বার্থ সম্পর্কে সচেতন। এই বিষয়টি সাম্প্রতিক কূটনীতির অন্যতম পটপরিবর্তন।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *