জীবদ্দশায় নন্দনে ‘ব্রাত্য’ ছিলেন পরিচালক অনীক দত্ত, সরকারি প্রেক্ষাগৃহে ছবি প্রদর্শনের অনুমতি পাননি। ২৯ মে শুক্রবার জীবনের অন্তিমলগ্নে সেই নন্দনেই এসে পৌঁছল পরিচালকের নিথর দেহ! শববাহী গাড়ি এসে থামল নন্দন প্রাঙ্গনে, কাচের গাড়িতে শায়িত অনীক দত্ত। ফুলের মালায় সুসজ্জিত ‘অপরাজিত’ অনীক, করজোড়ে তাঁর ছবিতে প্রণাম করছেন সেখানে উপস্থিত প্রত্যেকে। বাবার অন্তিম যাত্রার সঙ্গী মেয়ে রাই। ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’-এর শ্রষ্ঠাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে নন্দর চত্ত্বরে একত্রিত টলিপাড়ার স্বজনরা। শেষবারের মতো মতো অনীক দত্তকে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করতে উপস্থিত অভিনেতা বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ থেকে পাপিয়া অধিকারী, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অঞ্জন দত্ত, বিদিপ্তা চট্টোপাধ্যায়, লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে।
নন্দন চত্ত্বরে দাড়িয়ে অনীক স্মরণে লকেট বলেন, “সিনেমার মাধ্যমে মানুষের মনের কথা তুলে ধরতেন অনীকদা। সেটা আর আমরা কোনওদিন পাব না। ওঁর শূন্যস্থান কেউ পূরণ রতে পারবে না। ১৫ বছর যা হয়েছে, অনীকদার ছবি নন্দনে প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়নি আগামীতে এধরনের ঘটনা আর ঘটবে না সেই প্রতিশ্রুতি দিতে পারি। প্রত্যেকে শিল্পী পরস্পরকে সম্মান করবে। সেখানে কোনও রাজনৈতিক রঙের ছোঁয়া থাকবে না। শিল্পীর কাজে কাজই তাঁর সম্মান। গণতান্ত্রিক দেশে প্রত্যেকের নিজস্ব মতামত পেশ করার অধিকার আছে। তার মানে এটা নয় সেই মানুষটাকে ব্যান করে দেওয়া হবে। তাঁর প্রবেশাধিকার কেড়ে নেওয়া হবে। তৃণমূল যে ব্যান কালচার সৃষ্টি করেছিল সেটা বিজেপি জমানায় হবে না। আমরা মানুষের পাশে মানুষের হৃদয়ে থাকতে চাই।”
আরও পড়ুন:
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য আমাদের কাছে এসেছে। যেটুকু তথ্য এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে, সেটুকুই আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হল। গুরুত্বপূর্ণ এই খবরটি খুঁটিনাটি-সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সবিস্তারে জানাব। অনুগ্রহ করে একটু পরে আর-একবার এই পেজটি রিফ্রেশ করুন, যাতে পূর্ণাঙ্গ খবর ও খবরটির অন্যান্য খুঁটিনাটি আপনারা জেনে নিতে পারেন। এই সময়টুকু আমরা আপনাদের কাছে চেয়ে নিলাম। পাশাপাশি উল্লেখ থাক, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে নানারকম ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি। সে বিষয়ে আমরা যথাসম্ভব সতর্ক থেকেই খবর পরিবেশন করি। যে-কোনো খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে তবেই আপনাদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন, ঠিক ও তথ্যনিষ্ঠ খবর তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা আন্তরিক ভাবে কাম্য।]
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
