গরু পাচার থেকে শুরু করে বালি—সব ধরণের অবৈধ কারবার বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপরেও উত্তরপাড়া এলাকায় প্রকাশ্য দিবালকে গঙ্গা থেকে বালি চুরি! এরপরেই দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। উত্তরপাড়ার শিবমন্দির সংলগ্ন একটি ঘাট থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে একটি নৌকা ও ৪০০০ কিউবিক ফিট সাদা বালি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, আগামিদিনে এই বিষয়ে আরও অভিযান চালানো হবে।
উত্তরপাড়ার বিধায়ক দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, ”বালি চুরির বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছি। আগামী পাঁচ বছরে এই ধরনের কাজ আর হতে দেব না। এই ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করব।”
আরও পড়ুন:
অভিযোগ, নজরদারি এড়িয়ে ভাটার সময় গঙ্গা থেকে বালি তোলা হচ্ছিল। যদিও আগেই প্রশাসনের তরফে গঙ্গা থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল প্রশাসন। কিন্তু এরপরেও বালি তোলা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, গঙ্গার পাড়ে নৌকা লাগিয়ে বালি তোলা হচ্ছিল। পরে সেই বালি ছোটো গাড়ি করে পাচার করা হত। চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটেও আগে বালি চুরি নিয়ে অভিযোগ জমা পড়েছিল। কিছুদিন এই কাজ বন্ধ ছিল। কিন্তু নতুন করে ফের গঙ্গা থেকে বালি তোলা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এই সংক্রান্ত অভিযোগ পেতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় দুজনকে। ধৃত দুজনের নাম কুন্দন সাহানি ও লক্ষ্মণ সাহানি। তাঁদের বিরুদ্ধে গঙ্গা থেকে সাদা বালি চুরি করার অভিযোগে রয়েছে। ধৃতদের দাবি, উত্তরপাড়ার বাসিন্দা অর্জুন চৌধুরী তাঁদের এই কাজের বরাত দিয়েছিলেন। বালি তোলার অনুমতি ও সরকারি নথিও অর্জুনে কাছে রয়েছে বলে ধৃতরা দাবি করেন।
এদিকে উত্তরপাড়ার বিধায়ক দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, ”বালি চুরির বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছি। আগামী পাঁচ বছরে এই ধরনের কাজ আর হতে দেব না। এই ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করব।” শুধু তাই নয়, কাদের মদতে অবৈধ ভাবে বালি চুরির কাজ চলছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে বলেও জানিয়েছেন বিধায়ক।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
