সাত সমুদ্দুর তেরো নদী পেরিয়ে সুদূর আমেরিকাতেও এসেছে শরৎকাল। ‘জাগো দুর্গা’ মন্ত্রে সেখানকার মানুষজন মেতে উঠেছেন দুর্গাপুজোয়। বিশেষ করে প্রবাসী বাঙালিরা। কানসাস সিটির ওভারল্যান্ড পার্কে ‘সঙ্গম’ নামে প্রবাসী বাঙালিদের পুজোর আয়োজন ঘিরে উৎসবের আবহ। কলকাতার কুমোরটুলি থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে দুর্গা প্রতিমা। শাস্ত্রমতে এখানে পূজার্চনার পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও ইলিশ-চিংড়ি-পাঁঠার মাংস সহযোগে পুজোর ভোজ।
পুজোর পাশাপাশি রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দুর্গোৎসব উপলক্ষে থাকছে বাঙালির চিরাচরিত ভোজের আয়োজনও। মেনুতে রয়েছে ইলিশ, মাটন কষা, চিংড়ি মালাইকারি-সহ বিভিন্ন আমিষ ও নিরামিষ পদ। পুজোর প্রতিমার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সামগ্রীর অনেক কিছুই কলকাতা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এবছর ৩১ বছরে পা দিল ‘সঙ্গম’-এর দুর্গাপুজো। সেই উপলক্ষে একত্রিত হচ্ছেন শত শত বাঙালি পরিবারের সদস্যরা। পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া ও কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলার প্রবাসী বাঙালিরা এই উৎসবে অংশ নিচ্ছেন। মহালয়ার দিন থেকেই শুরু হয়েছে উৎসবের আবহ। আলোয় সেজে উঠেছে পূজার স্থল অর্থাৎ অডিটোরিয়াম। সঙ্গমের সভাপতি অরূপ মজুমদার, সহ-সভাপতি শান্তনু ভট্টাচার্য এবং ডক্টর তপন মান্নারা জানাচ্ছেন, ষষ্ঠীতে দেবীর বোধন, সপ্তমীতে কলাবউ স্নান ও ঘটস্থাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পুজোর আচার। বোধন থেকে বিসর্জন পর্যন্ত বাংলার প্রচলিত রীতিনীতি মেনে চলছে দশভুজার আরাধনা।

পুজোর পাশাপাশি রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দুর্গোৎসব উপলক্ষে থাকছে বাঙালির চিরাচরিত ভোজের আয়োজনও। মেনুতে রয়েছে ইলিশ, মাটন কষা, চিংড়ি মালাইকারি-সহ বিভিন্ন আমিষ ও নিরামিষ পদ। পুজোর প্রতিমার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সামগ্রীর অনেক কিছুই কলকাতা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগঠনের সদস্য গবেষক ডক্টর দেবব্রত ভাদুড়ি গত পাঁচ বছর ধরে পুজোর পৌরহিত্য করছেন। প্রবাসে কর্মব্যস্ত জীবনের মধ্যেও এই দুর্গোৎসবের মাধ্যমে বাঙালি পরিবারগুলির মধ্যে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখার উদ্যোগ নিয়েছে ‘সঙ্গম’। ধর্মীয় আচার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বাঙালি পেটপুজোর সমন্বয়ে কানসাস সিটির এই আয়োজন প্রবাসী বাঙালিদের কাছে হয়ে উঠেছে মিলনমেলা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
