দু’দিনের চিরুনি তল্লাশির পরও অধরা আকাশ, রোলাহাটুর আগ্নেয়াস্ত্রই এখন গোয়েন্দাদের ‘ক্লু’

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


দু’দিন ধরে সীমান্তের জঙ্গলজুড়ে চিরুনি তল্লাশি চালিয়েও হদিশ মিলল না সিপিআই (মাওবাদী)-র শীর্ষনেতা অসীম মণ্ডল ওরফে আকাশের। দলমা এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযানের পর এবার নজর বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তের জঙ্গলপথে। একই সঙ্গে রোলাহাটু পাহাড় থেকে উদ্ধার হওয়া দু’টি ইনসাস, ১০৩ রাউন্ড গুলি ও ছ’টি ম্যাগাজিন ঘিরে তদন্তে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। উদ্ধার অস্ত্রের সঙ্গে পুরনো কোনও নাশকতার যোগ রয়েছে কি না, তারই অপেক্ষায় ব্যালিস্টিক রিপোর্ট।

গোয়েন্দাদের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে আকাশের নিরাপত্তা বলয়ের ভাঙন। সম্প্রতি আত্মসমর্পণ করেছেন রামপ্রসাদ মার্ডি ওরফে শচীন, তাঁর স্ত্রী মিতা ওরফে নয়নতারা এবং বুলু মাহাতো ওরফে গৌরী। তিনজনই আকাশের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে সক্রিয় ছিলেন বলে পুলিশি সূত্রে দাবি। তাঁদের আগে আকাশের স্কোয়াডের সদস্য মদন মাহাতো ওরফে শঙ্কর, সাব-জোনাল কমান্ডার সাগর সিং ওরফে বিরেন এবং মীরা পাহাড়িয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ফলে একের পর এক ধৃত ও আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীরা এখন তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নজরে রয়েছে আকাশের সঙ্গে যুক্ত বলে চিহ্নিত মঙ্গল মাহাতো ওরফে পাণ্ডে এবং মালতি মুর্মুও।

আরও পড়ুন:

প্রশ্ন উঠছে, দলমার চাপের পর আকাশ কি ফের জঙ্গল বদলেছেন? নাকি ছোট দলে ভাগ হয়ে গেরিলা কৌশলে আত্মগোপন? দু’দিনের অভিযানের পরও উত্তর মেলেনি। তাই আকাশের অবস্থানের পাশাপাশি তাঁর অবশিষ্ট যোগাযোগ-চক্র, পুরনো অস্ত্র-ডাম্প এবং সীমান্তের জঙ্গলপথও এখন গোয়েন্দাদের নজরে। রোলাহাটুর ব্যালিস্টিক রিপোর্ট সেই তদন্তে নতুন দরজা খুলতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *