দুই সন্তানের চোখের সামনেই অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন! ‘নৃশংস’ বাবাকে ধরিয়ে দিল ৫ বছরের ছেলে

দুই সন্তানের চোখের সামনেই অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন! ‘নৃশংস’ বাবাকে ধরিয়ে দিল ৫ বছরের ছেলে

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


উত্তরপ্রদেশে হাড়হিম হত্যাকাণ্ড। দুই সন্তানের চোখের সামনে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে কাস্তে দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে। মদ্যপ অবস্থায় ঘরে ফেরার পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসা বাধে। সেই বচসা থেকেই মর্মান্তিক পরিণতি। জানা গিয়েছে, চোখের সামনে মাকে খুন হতে দেখা ৫ বছরের বছরের শিশুই ঘটনার বয়ান দেয় পুলিশকে। তার ভিত্তিতেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উত্তরপ্রদেশের মহোবা জেলার পানওয়ারি থানার অন্তর্গত বিজরারি গ্রামের ঘটনা। একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, নিহত ওই মহিলার নাম মনীষা। অভিযুক্ত স্বামী হানিফ মানসুরি। ওই ঘটনার সময় ঘরেই ছিল দম্পত্তির ৫ বছরের ছেলে ও ২ বছরের মেয়ে। তাদের সামনেই মাকে কুপিয়ে খুন করে মদ্যপ বাবা।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর সন্দেহ এড়াতে অন্তঃসত্ত্বার স্বামী নিজেই পুলিশে ফোন করেন। তারপর ভুয়ো গল্প সাজিয়ে ঘটনাটি পুলিশকে অন্যভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই সামনে আসে আসল সত্যি।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর সন্দেহ এড়াতে অন্তঃসত্ত্বার স্বামী নিজেই পুলিশে ফোন করেন। তারপর ভুয়ো গল্প সাজিয়ে ঘটনাটি পুলিশকে অন্যভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই সামনে আসে আসল সত্যি। পাঁচ বছরের ছেলের মুখে মাকে খুনের হাড়হিম ঘটনা জানতে পারে পুলিশ। এরপরই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গ্রেপ্তার করে পানওয়ারি থানার পুলিশ।

মৃতার পরিবার জানিয়েছে, ২০২১ সালে বিয়ে হয় মনীষা ও হানিফের। তাঁদের অভিযোগ, প্রথম থেকেই মনীষাকে সন্দেহ করতেন। সামান্য বিষয় নিয়ে প্রায়ই মনীষাকে মারধর করতেন বলে জানিয়েছে পরিবার। মনীষার ভাই নাসিম মনসুরির অভিযোগ, ‘জামাইবাবু একাধিকবার তাঁর বোনকে বাড়ি থেকেও বের করে দিয়েছিলেন। সেই সময় পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলাম আমরা। বোনের দুটি সন্তান আছে, সে আটমাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল।’ অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব মৃতার পরিবার।

অভিযুক্তের বাবা ছেলের শাস্তির দাবিতে সরব। তাঁর দাবি, চার বছর আগে ছেলে তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল। তিনি বলেন, “আমার ছেলে মারাত্মক অপরাধ করেছে। ওরশাস্তি হওয়া উচিত, প্রয়োজনে মৃত্যুদণ্ড হোক। নাতি-নাতনিদের আমি মানুষ করব।” কুলপাহাড় সার্কেলের পুলিশ আধিকারিক অনিরুদ্ধ সিং জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *