দীর্ঘদিনের ‘অত্যাচারে’ ক্ষোভ, ধৃত তৃণমূল নেতাকে ঝাঁটা-জুতো মহিলাদের! থানার সামনেই বিক্ষোভ

দীর্ঘদিনের ‘অত্যাচারে’ ক্ষোভ, ধৃত তৃণমূল নেতাকে ঝাঁটা-জুতো মহিলাদের! থানার সামনেই বিক্ষোভ

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


ক্যানিংয়ের যুব সভাপতি অরিত্র বোস গ্রেপ্তার। তাঁকে আদালত থেকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় জনরোষ যেন আছড়ে পড়ল। ঝাঁটা, জুতো হাতে মহিলারা থানার সামনে ঘেরাও করে রাখলেন! প্রিজন ভ্যানও কার্যত ঝাঁটা, জুতো দিয়ে পেটানো হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয় ওই এলাকায়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পরে তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।

এই বিষয়ে আরও খবর

অরিত্র বোসকে ভোটের পথ থেকে খুঁজছিল পুলিশ। গণনার দিন সন্ধ্যাবেলা এক বিজেপি কর্মীকে গুলি করার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সোমবার অরিত্রকে গ্রেপ্তার করা হয় আনন্দপুর থানা এলাকা থেকে। দীর্ঘজেরা করার পর মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়। আজ, মঙ্গলবার সকালে তৃণমূল নেতাকে আদালতে তোলার আগে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেসময় ক্যানিং থানার সামনে শতাধিক মহিলা-পুরুষ জড়ো হয়! মহিলাদের হাতে ঝাঁটা-জুতো ছিল। থানা থেকে তাঁকে বার করতেই ক্ষোভ দেখা দেয় বিক্ষোভকারীদের মধ্যে। 

ক্যানিং থানার সামনে শতাধিক মহিলা-পুরুষ জড়ো হয়! মহিলাদের হাতে ঝাঁটা-জুতো ছিল। থানা থেকে তাঁকে বার করতেই ক্ষোভ দেখা দেয় বিক্ষোভকারীদের মধ্যে।

রীতিমতো প্রিজন ভ্যান আটকে তৃণমূল নেতাকে ঝাঁটা-জুতো দেখানো হয়! চাপড়ানো হয় ভ্যানের দেওয়াল। ক্রমে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা যায়। থানা ও হাসপাতালের বাইরে বিশাল সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। বাহিনী বিক্ষোভকারীদের থানার সামনে থেকে সরিয়ে দেয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও মানুষের মধ্যে চাপা ক্ষোভ থাকে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বিগত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন, ২০২৩ এই সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় তৃণমূল কংগ্রেস সন্ত্রাস চালিয়েছিল, সেই সমস্ত কেস ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল। 

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বিগত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন, ২০২৩ এই সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় তৃণমূল কংগ্রেস সন্ত্রাস চালিয়েছিল, সেই সমস্ত কেস ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল।

সঙ্গীতা মণ্ডল নামে এক মহিলা জানিয়েছেন, “দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ক্যানিং পশ্চিমে তাণ্ডব চালিয়েছে তৃণমূলের গুন্ডারা। বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে অত্যাচার করেছে।মা-বোনেরা রেহাই পায়নি। পুলিশ পাহারায় থাকত ওই সমস্ত গুন্ডাদের নিরাপত্তার জন্য। সাধারণ মানুষ গণধোলাই দিয়ে শায়েস্তা করে দেবে। আদালতে নিয়ে যেতে হবে না।” এ বিষয়ে বিজেপি নেতা রমেন মণ্ডল, সুব্রত পাল, অসিত মণ্ডল ও পবিত্র পাত্ররা বলেন, “মানুষের উপর যে অত্যাচার করেছে তৃণমূল নেতারা তার বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে এখন। স্থানীয় মানুষজন ঝাঁটা-জুতো নিয়ে চলে আসছেন থানাতে।” তাঁরা আরও বলেন, “আমাদের দল কোনও প্রতিহিংসামূলক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। এই ক্ষোভ স্থানীয় মানুষের।”

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *