আগামী ৬ জুন বৈঠকে বসবে ইন্ডিয়া জোটের দলগুলি। সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে শরিক দলগুলির ফলাফল শোচনীয়। বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস পরাজিত। অন্যদিকে কেরলে চূর্ণ বাম দুর্গ। এমনকী, তামিলনাড়ুতেও নতুন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন বিজয়। ডিএমকে ক্ষমতায় আসতে পারেনি। এমতাবস্থায় আগামী সপ্তাহের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল। আর সেই পরিস্থিতিতেই বৃহস্পতিবার দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বললেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। এও জানা যাচ্ছে, তৃণমূল সুপ্রিমো যোগ দিতে পারেন ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে। মনে করা হচ্ছে, কেবল বিজেপি বিরোধিতাই নয়, বরং নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার কৌশল নিয়েও ভাবছে বিরোধী দলগুলি। তাই বৈঠকে অনেক দিকেই আলো ফেলা হতে পারে।
আরও পড়ুন:
আগামী সপ্তাহের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল। আর সেই পরিস্থিতিতেই বৃহস্পতিবার দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বললেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
মমতার উপস্থিতির সম্ভাবনা এই বৈঠকটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে, তিনি আবারও বিরোধী রাজনীতিতে একটি নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করতে চাইতে পারেন। অন্যদিকে, রাহুল গান্ধীর জন্য এই বৈঠকটি জোটের পতন ঠেকানোর একটি অগ্নিপরীক্ষা হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। সব মিলিয়ে বিরোধীদের ‘পাখির চোখ’ যে এই মুহূর্তে বৈঠক, তা বলাই বাহুল্য।
এদিকে বৈঠকের আগে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে তামিলনাড়ুর ছবিটা তৈরি করছে অস্বস্তি। নির্বাচনে কংগ্রেস ও ডিএমকে একসঙ্গেই লড়াই করেছিল। কিন্তু ফলাফল প্রকাশের পরে হাত শিবির চলে গিয়েছে টিভিকের দিকে। আর এই ইস্যুতে ডিএমকে ও কংগ্রেসের মধ্যে দ্বন্দ্ব বেড়েই চলেছে। সেক্ষেত্রে ডিএমকে আর ইন্ডিয়া জোটের শরিক থাকতে চাইবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে কেরলে ক্ষমতা হারানো সিপিএম নেতৃত্বও জোটে থাকবে কিনা সেটাও দেখার। এই দিক থেকেও ৬ জুনের বৈঠক অসীম গুরুত্বপূ্র্ণ হতে চলেছে। আগামিদিনে বিজেপি-বিরোধী দলগুলির অবস্থান অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যেতে পারে ওই দিন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
