‘দিল্লি কেন মার্কিন ভুট্টা কিনবে না?’ ভারতকে নতুন হুমকি মার্কিন বিদেশসচিবের

‘দিল্লি কেন মার্কিন ভুট্টা কিনবে না?’ ভারতকে নতুন হুমকি মার্কিন বিদেশসচিবের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাণিজ্য ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে হুমকিই এখন মার্কিন কৌশল। এবার মার্কিন প্রশাসনের দাবি, আমেরিকায় উৎপাদিত ভুট্টা কিনতে হবে ভারতকে। মার্কিন বিদেশসচিব হাওয়ার্ড লুটনিক হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, মার্কিন ভুট্টা না কিনলে আমেরিকার বাজারে ব্যবসা করার সুযোগ হারাতে পারে নয়াদিল্লি! উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ না-করায় ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক সাক্ষাৎকারে নতুন করে শুল্ক-হুমকি দিয়েছেন মার্কিন বিদেশসচিব। ঠিক কী বলেছেন তিনি?

কতকটা ট্রাম্পের কায়দায় লুটনিক বলেছেন, “ভারত আমাদের কাছে জিনিস বিক্রি করে এবং আমাদের সুবিধা নেয়। কিন্তু ওরা তাদের অর্থনীতি থেকে আমাদের বিরত রাখে।” এখানেই না থেমে মার্কিন বিদেশসচিব বলেন, “ভারত তাদের ১৪০ কোটি নাগরিককে নিয়ে গর্ব করে। তা হলে কেন ১৪০ কোটি মানুষ এক বুশেল (৩৫.২ লিটার ধারণক্ষমতার একটি পরিমাপ) মার্কিন ভুট্টা কিনবে না? ওরা আমাদের কাছে সব কিছু বিক্রি করে, তবে কেন আমাদের ভুট্টা কিনবে না?”

উল্লেখ্য, সোমবারই ভারতে আসছেন আমেরিকার অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেন্ডন লিঞ্চ। মঙ্গলবার বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ভারতীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে তিনি আলোচনায় বসবেন বলেই জানা গিয়েছে। সেখানে দুই দেশের বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে জট কাটতে পারে বলে আশায় ওয়াকিবহাল মহল। এই আবহে লুটনিকের ভুট্টা হুমকি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

বাণিজ্যচুক্তির ‘ডেডলাইন’ পেরিয়ে যাওয়ার পরই ভারতের উপর শুল্কবাণ ছোড়েন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রাথমিকভাবে ভারতীয় পণ্যের উপর ২৫ শতাংশ কর চাপানো হয়েছিল। কিন্তু সপ্তাহখানেক পরে ট্রাম্প জানান, রাশিয়া থেকে তেল কেনার শাস্তি হিসাবে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয়েছে। বর্তমানে ভারতীয় পণ্যের উপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। তবে মার্কিন ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ভারত গড়িমসি করেছে বলেই বিপুল শুল্ক চাপানো হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ






Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *