সপ্তমীতে কলকাতায় আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বেলুড় মঠ পরিদর্শন করবেন তিনি। তারপর হাওড়ার বালি দেশবন্ধু ক্লাব। কলকাতার কয়েকটি পুজো মণ্ডপ পরিদর্শন করার কথা শাহের। এই বঙ্গ সফরের সম্পূর্ণ দায়িত্ব রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোর।
একদিকে প্রশাসনিক কাজ। সেই সঙ্গে সাংগঠনিক। আর তার সঙ্গেই এই পুজোতে সামাজিক কর্মসূচিও। অন্যদিকে শাহের সফরের দায়িত্ব। ফলে পুজোতে বিরাম নেই পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোর।
আরও পড়ুন:
ঝাড়গ্রামে দলীয় কাজ সেরে পঞ্চমীতে জেলায় পা রেখেই জঙ্গলমহল বলরামপুর ও পুরুলিয়া শহর মিলিয়ে ১৩টি পুজোর উদ্বোধন করেন। ষষ্ঠীতে আরও এক ডজন। সবে মিলিয়ে কলকাতায় সাংগঠনিক কাজ সামলে ঝটিকা সফরে পুরুলিয়া এসে দু’দিনে ২৫টি পুজোর উদ্বোধন করে। শনিবার সপ্তমীতে তিনি থাকবেন কলকাতায়।
জ্যোতির্ময়ের কাছে এবার ২০০-র বেশি পুজো উদ্বোধনের আমন্ত্রণ আসে। সময়ের অভাবে সেখান থেকে বাধ্য হয়ে তাঁকে কাটছাঁট করতে হয়। শুক্রবার ষষ্ঠীতে হুচুক পাড়া সর্বজনীন পুজো মণ্ডপে সাংসদ অর্থ তহবিল থেকে ৫ লাখের বেশি টাকায় ওই মণ্ডপের গেটের উদ্বোধন করেন। সেখানে মানুষের রাস্তা পানীয় জলের কথা শুনে স্থানীয় নেতৃত্বকে নির্দেশ দেন সমস্যা সমাধানের। সেই সঙ্গে এলাকার মানুষজনকে বলেন, “আমার তহবিলের কাজেও যদি কোনও গাফিলতি থাকে তাহলে অভিযোগ জানান। আমি তো ইঞ্জিনিয়ার নই যে বুঝতে পারব। অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তাঁর কথায়, “পুজোতেও পরিবারের সঙ্গে কাটানোর সময় হয় না। একদিকে প্রশাসনিক। সেই সঙ্গে সাংগঠনিক। তারপর সামাজিক কর্মসূচি থাকে। আসলে পুরুলিয়ার মানুষই আমার পরিবার।”
পুজোর সময় তিনি বরাবর প্রান্তিক জনজাতিদের সঙ্গে সময় কাটান। বিশেষ করে কাশিপুরে গিয়ে ওই এলাকার জনজাতিদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন। তাঁর কথায়, “পালাবদলের পর এই প্রথম দুর্গাপুজো। বাংলার মানুষ আলাদা রকম আনন্দে মেতে উঠেছেন। কারণ বিগত সরকারের আমলে সেভাবে পুজোর পরিবেশ ছিল না।” বঙ্গ সফর শেষে অমিত শাহ ফিরে গেলে সাংসদ জ্যোতির্ময় আবার জেলায় ফিরবেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
