দলের দুর্দিনেও অন্যায়ের সঙ্গে আপস নয়! মহিলাকে মারধরের অভিযোগে সাসপেন্ড দুই সিপিএম নেতা

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


পাঁচ বছর আগের মারধরের অভিযোগে পানিহাটির এক শিক্ষক নেতা ও এক মহিলা নেত্রীকে এক বছরের জন্য সাসপেন্ড করল সিপিএম। দলের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। শিক্ষক নেতাকে পরিকল্পনা করে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি একাংশের। অন্য পক্ষের বক্তব্য, নৈতিকতার প্রশ্নে আপস করলে দলেরই ক্ষতি। তাই এই সিদ্ধান্ত

সূত্রের খবর, প্রায় পাঁচ বছর আগে পানিহাটির রাস্তায় এক মহিলার সঙ্গে বচসায় জড়ান ওই দুই নেতা-নেত্রী। মারধর ও লাগাতার হুমকির অভিযোগ জানিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। তিনি দলের সদস্য নন। অভিযোগের সমর্থনে কল রেকর্ড ও স্ক্রিনশটও জমা দেন। প্রথমে শোকজের পর দলের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি তদন্ত করে দু’জনকে প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে এক বছরের জন্য সাসপেন্ড করার সুপারিশ করে। সম্প্রতি সেই সুপারিশে সিলমোহর দেয় উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সিপিএম।

আরও পড়ুন:

দলের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষক নেতার অনুগামীরা। তাঁদের যুক্তি, পুলিশে অভিযোগ না করে কেন শুধু দলের কাছে নালিশ জানানো হল? একইসঙ্গে তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে আক্রান্ত হয়েও যাঁরা দল করছেন, এই সিদ্ধান্ত তাঁদের মনোবল ভাঙবে। পালটা শাস্তির সমর্থকদের বক্তব্য, দলের দুর্দিনেও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করা যায় না। এনিয়ে সিপিএমের জেলা সম্পাদক পলাশ দাস জানান, আমাদের পার্টিতে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে দলের গঠনতন্ত্র মেনে পদক্ষেপ করা হয়। এই ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তাই প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করব না।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *