‘দম থাকলে ব্রিগেডে যান’, একুশে জুলাই নিয়ে ‘কালীঘাট তৃণমূল’কে তোপ দিলীপের

‘দম থাকলে ব্রিগেডে যান’, একুশে জুলাই নিয়ে ‘কালীঘাট তৃণমূল’কে তোপ দিলীপের

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


একুশে জুলাই নিয়ে আসল ও আদি তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে দীর্ঘদিন ধরে। ঋতব্রত-পন্থীরা ঠিক করেছেন মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ দিবস পালন করবেন। কিন্তু কালীঘাট তৃণমূল এখনও জায়গা ঠিক করতে পারেনি। কারণ পুলিশের তরফে ব্রিগেডে করার প্রস্তাব দিলেও তাতে তারা রাজি নন। বুধবার সকালে এই নিয়েই কালীঘাট তৃণমূলকে একহাত নিলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বললেন, “দম থাকলে ব্রিগেডে যান। কর্মী থাকলে ব্রিগেড ভরিয়ে দেখান। নাহলে বাড়িতে শহিদদের ছবিতে মালা দিন।”

২১ জুলাই দিনটি তৃণমূল কংগ্রেস বরাবর মেগা ইভেন্ট হিসেবে পালন করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনে বড় দিনও বটে। ১৯৯৩ সালের তখনকার যুব কংগ্রেস কর্মীদের মহাকরণ অভিযানে তৎকালীন সরকারপক্ষের গুলিচালনায় ১৩ জনের নির্মম মৃত্যুর ঘটনাকে স্মরণে রেখে এই কর্মসূচি করে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ঘটনাস্থল ধর্মতলায় বলে সেখানেই শহিদ দিবস পালন করা হয়। ২০২৫ পর্যন্ত প্রতিবছর এই দিনটিতে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করেছে তৃণমূল। কিন্তু এবারের ছবিটা আলাদা। তৃণমূল ভেঙে টুকরো। সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে আর সে অর্থে কিছুই নেই। পরিষদীয় দলের রাশ চলে গিয়েছে ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায়ের কাছে। তিনি দাবি করছেন, তাঁরাই ‘আসল তৃণমূল’। ফলে একুশে জুলাই পালনের অধিকারও নাকি তাঁদের। 

আরও পড়ুন:

এদিকে ঋতব্রত ও কালীঘাট শিবির, দু’পক্ষই ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চায়। তবে পুলিশ জানিয়ে দেয় ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের আয়োজন করা যাবে না। বিকল্প জায়গার কথা জানাতে রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে দেখা করেছিলেন ঋতব্রতপন্থীরা। অনুমতি মেলায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করবেন তাঁরা। পুলিশের তরফে কালীঘাট তৃণমূলকে ব্রিগেডে সভা করার কথা বলা হয়েছে। তবে তারা তাতে রাজি নন। কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে, ভাঙনের মরশুমে মাঠ ভরবে কি না, এই আশঙ্কা থেকেই ব্রিগেডে সভায় নারাজ তাঁরা। প্রতিদিনের মতো বুধবারও ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। কর্মীদের সঙ্গে মুড়ি পার্টি করেন তিনি। সেখানেই একুশে জুলাই নিয়ে কালীঘাট তৃণমূলকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, “দম থাকলে ব্রিগেডে যান। মাঠ ভরবে কি না, তা নিয়ে চিন্তা? যদি কর্মী থাকে, ব্রিগেড ভরিয়ে দেখান। নাহলে বাড়িতে শহিদদের ছবিতে মালা দিন। বাড়িতে পালন করলে কি সম্মান জানানো হয় না?” যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন আগেই জায়গা না মিললে প্রয়োজনে রিকশা নিয়ে একুশে জুলাইয়ের সভা করবেন তিনি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *