তুষাররাজ্যে নেই ভোটের উত্তাপ! রাজনৈতিক কোন্দল থেকে বহু দূরে সান্দাকফু, কেন জানেন?

তুষাররাজ্যে নেই ভোটের উত্তাপ! রাজনৈতিক কোন্দল থেকে বহু দূরে সান্দাকফু, কেন জানেন?

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


তুষারের চাদরে মুখ ঢেকে থাকা সান্দাকফুতে এখনও পর্যন্ত নেই কোনও ভোটের উত্তাপ। নেপাল সীমান্তের এই জনপদে এখনও পর্যন্ত ওড়েনি কোনও কোনও দলের পতাকাও। প্রার্থীদের কেউ রাজ্যের উচ্চতম এই শৃঙ্গ অথবা আশপাশে পা রাখেননি। আসবেন কেমন করে তুষারপাতের জন্য গাড়ি চলাচল বন্ধ যে! শনিবার থেকে এখানে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে। ঘরবাড়ির চাল থেকে রাস্তঘাট সবই বরফে তলিয়ে। সোমবার আকাশ কিছুটা পরিস্কার হতে বাসিন্দারা নেমেছেন বরফ সরিয়ে ঘরদোর সাফ করতে।

এই বিষয়ে আরও খবর

সান্দাকফুর মতোই দুর্গম এলাকা ডান্ডা গ্রাম, রাম্মাম, সামানডেন। সুখিয়াপোখরি ব্লকের মানেভঞ্জন এলাকার সুকিয়া সিমানা গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ৭২২ জন ভোটার রয়েছে। সান্দাকফুও এই গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে। সান্দাকফু মানেভঞ্জন থেকে ৩১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটি নেপাল-ভারত সীমান্ত। স্থানীয় বাসিন্দা রোহিত থাপা জানান, শুক্রবার রাত থেকে এখানে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে আছে। সান্দাকফু এবং সংলগ্ন এলাকায় ৭২২ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে টাঙ্গলু, কালপোখরির সান্দাকফু, মেঘমায় মাত্র ৯০ থেকে ১০০ জন ভোটার রয়েছে। কিন্তু ভোটের কোনও তাপ উত্তাপ এখনও নেই। 

স্থানীয় বাসিন্দা রোহিত থাপা জানান, শুক্রবার রাত থেকে এখানে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে আছে। সান্দাকফু এবং সংলগ্ন এলাকায় ৭২২ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে টাঙ্গলু, কালপোখরির সান্দাকফু, মেঘমায় মাত্র ৯০ থেকে ১০০ জন ভোটার রয়েছে। কিন্তু ভোটের কোনও তাপ উত্তাপ এখনও নেই। 

ভারত-নেপাল সীমান্তের এই এলাকায় মোবাইল টাওয়ার, বিদ্যুৎ নেই। সন্দাকফুর বাসিন্দা ভোটার বুদ্ধিমায়া রাই বলেন, “কথা বলার জন্য আমরা নেপালের সিমকার্ড ব্যবহার করি।” আর তাই সোশাল মিডিয়ায় ভোট প্রচারের ঝড় এখানে আছড়ে পড়তে পারে না। বিজিনবাড়ি ব্লকের শিরিখোলা গ্রাম পঞ্চায়েত এবং গোর্খা সমন্দন এলাকার রাম্মাম গ্রাম পঞ্চায়েতে একই সমস্যা। ওই এলাকায় ৫০০ থেকে ৬০০ ভোটার রয়েছে। তীব্র ঠান্ডায় জুবুথুবু জনপদগুলোতে নেই ভোটের পোস্টার, ফেস্টুন, ফ্লেক্স। স্থানীয় বাসিন্দা রাজেন থাপা বলেন, “কয়েকদিন পর আবহাওয়া ভালো হলে নেতারা আসবেন রিম্বিক বাজারে সভা করবেন। এখন যা পরিস্থিতি ডাকলেও আসবে না।”

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *