শিলাজিৎ সরকার: শনিবাসরীয় সন্ধ্যায় আইএফএ শিল্ড ফাইনালে ডার্বি। মরশুমে ফের মুখোমুখি হতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান। তার আগে ম্যাচ পূর্ববর্তী সাংবাদিক সম্মেলন সারলেন ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ। তিনি মোহনবাগানকে সমীহ করেও নিজেদের সেরা দল বললেন।
শুক্রবার প্রি-ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে এলেন না ইস্টবেঙ্গল হেড কোচ অস্কার ব্রুজো এবং কোনও ফুটবলার। এলেন লাল-হলুদের সহকারী কোচ বিনো জর্জ। কেন ব্রুজো আসেননি সাংবাদিক সম্মেলনে? উত্তরে বিনো বলেন, “আজ সকালে দলকে অনুশীলন করিয়েছেন অস্কার। বিকেলে দলের সকলকে নিয়ে ডার্বির জন্য মিটিং করবেন তিনি। তাই এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি।”
ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ আরও বলেন, “প্রতিপক্ষকে সম্মান করি। সবাই জানে মোহনবাগান ভারতের অন্যতম সেরা দল। প্রত্যেক বিভাগে দারুণ সব ফুটবলার রয়েছে। তবে ইস্টবেঙ্গলও সেরা দলগুলির মধ্যে একটি। আমরা জানি প্রতিযোগিতার গুরুত্ব কতখানি। ইতিমধ্যেই ২৯ বার এই ট্রফি জিতেছি। ৩০ বার এই ট্রফি জয়ের লক্ষ্যেই নামবে ইস্টবেঙ্গল।”
এই ডার্বি জয়ের জন্য কোনও রকম ফাঁক রাখতে চাইছে না ইস্টবেঙ্গল। তবে মোহনবাগান এসিএল-২-এর ম্যাচ খেলতে ইরান না যাওয়ায় সমর্থকরা ক্ষুব্ধ। লাল-হলুদের সহকারী কোচ অবশ্য বলে দিলেন, এর প্রভাব ফুটবলারদের উপর পড়বে না। বিনোর কথায়, “কিছু সমস্যার কথা শুনেছি। তবে মাঠে ১১ জন খেলবে ১১ জনের বিরুদ্ধে। সবাই নিজের প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে থাকবে। পরিকল্পনা মতো খেলা এবং ট্রফি জয়ের ব্যাপারে মনোযোগ থাকবে আমাদের।”
নবাগত বিদেশি হিরোশি ইবুসুকিকে নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে। দলের সঙ্গে পুরোদমে অনুশীলনও করছেন ইবুসুকি। অনেকেই বলছেন শিল্ড ফাইনালে অস্কারের তরুপের তাস হতে পারেন হিরোশি। তার ওপর আনোয়ার, মহেশরা জাতীয় দল থেকে ফিরে আসায় শক্তি বেড়েছে ইস্টবেঙ্গলেরও। তবে এই ধরনের ম্যাচে কোনও দলই যে এগিয়ে থাকে না, সে কথাও বললনে ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ। ফাইনালের আগে বিনো বলে দিলেন, “ডার্বি দুই দলের কাছেই আবেগের ম্যাচ। দু’টি দলই জিততে চায় এই ম্যাচ। ইস্টবেঙ্গল ভালো দল গড়েছে। ওদের পাল্লা দিতে আমরা তৈরি।”
