জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে সরব বিরোধীরা, মোকাবিলায় পালটা রণকৌশল বিজেপির!

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ১০ অক্টোবরের প্রতিবাদ কর্মসূচি রয়েছে বিরোধীদের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাহুল গান্ধিদের প্রতিনিধি দল আজ, শুক্রবার দেখা করেছে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। এই আবহে বিরোধীদের রাজনৈতিক প্রচারের মোকাবিলায় পালটা রণকৌশল সাজাতে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে দলের সদর দপ্তরে জাতীয় সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে তাঁর এই বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, বিরোধীদের আন্দোলনের প্রভাব ঠেকাতে সংগঠন ও প্রচার—দুই স্তরেই প্রস্তুতি নিতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

বিজেপির তরফে সোশাল মিডিয়ায় জানানো হয়েছে, বৈঠকে দলের সাংগঠনিক বিষয় ও আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। যদিও বৈঠকের আলোচ্যসূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। দলীয় সূত্রের খবর, জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের প্রতিবাদ ও তার মোকাবিলায় বিজেপির কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অর্থাৎ, শুধু সংগঠনের নিয়মিত কাজকর্ম পর্যালোচনা নয়। বিরোধীদের রাজনৈতিক বয়ানের জবাব কীভাবে দেওয়া হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

আরও পড়ুন:

বিরোধীদের অভিযোগ, ভোট চুরি হয়েছে। তাঁদের দাবি, নির্বাচন প্রক্রিয়া ও ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে একাধিক প্রশ্নের জবাব দিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবির পাশাপাশি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়েও সরব বিরোধী শিবির। এই পরিস্থিতিতে বিরোধীদের অভিযোগের মোকাবিলা করে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরাই বিজেপির কাছে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে শুক্রবারের বৈঠকে এ বিষয়ে ঠিক কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সংগঠন সম্পাদক বি এল সন্তোষ, জাতীয় সাধারণ সম্পাদক স্মৃতি ইরানি ও বিনোদ তাওড়ে এবং রাজ্যসভার সাংসদ তরুণ চুঘ-সহ দলের শীর্ষ নেতারা। সংগঠনের বর্তমান কাজকর্মের পর্যালোচনার পাশাপাশি তৃণমূল স্তরে জনসংযোগ, সদস্য সংগ্রহ অভিযান এবং আগামী রাজ্য ও জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিও আলোচনায় উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।

রাজনৈতিক তাৎপর্য এখানেই! নির্বাচন কমিশনকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা যখন নিজেদের আন্দোলনকে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রে আনতে চাইছে, তখন সেই প্রচারের পালটা বক্তব্য তৈরি করা। এবং কর্মীদের সক্রিয় রাখা—দুই দিকেই নজর দিতে হচ্ছে বিজেপিকে। বিরোধীদের অভিযোগের জবাব শুধু রাজনৈতিক বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি সংগঠনের স্তরেও তার প্রতিফলন ঘটবে, তা স্পষ্ট হবে আগামী দিনের কর্মসূচিতে। ১০ অক্টোবরের প্রতিবাদকে সামনে রেখে আপাতত নজর বিজেপির পালটা রাজনৈতিক অবস্থানের দিকেই। বিরোধীদের মোকাবিলায় বিজেপির রণকৌশল কতটা বদলাচ্ছে, তার উত্তর মিলবে পরবর্তী পদক্ষেপেই।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *