জল সাঁতরে ইরানের সাবমেরিন সেন্টারে হামলা! প্রথমবার ঘাতক সামুদ্রিক ড্রোনের ব্যবহার আমেরিকার

জল সাঁতরে ইরানের সাবমেরিন সেন্টারে হামলা! প্রথমবার ঘাতক সামুদ্রিক ড্রোনের ব্যবহার আমেরিকার

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


ইরানের বিরুদ্ধে সমুদ্র যুদ্ধে এবার নয়া অস্ত্র হাতে মাঠে নামল আমেরিকা! মার্কিন সামরিক ইতিহাসে প্রথমবার কোনও যুদ্ধে ব্যবহার করা হল ‘সামুদ্রিক ড্রোন’ বা ‘সি ড্রোন’। আমেরিকা নয়া এই মারণাস্ত্রে ধ্বংস করা হল ইরানের একটি ডুবোজাহাজ ও রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র। সমুদ্র সাঁতরে উপকূলে হামলা চালানোর ভয়ংকর সেই ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। যদিও এই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।

ভিডিও-সহ এই হামলার তথ্য সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, ‘রবিবার ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক সারফেস ড্রোন’ ব্যবহার করে মার্কিন সেনা ইরানের একটি সাবমেরিন ও জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে। তিনটি মানববিহীন ‘কর্সেয়ার’ বা ‘সামুদ্রিক ড্রোন’ ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর আব্বাস বন্দরে।’ আমেরিকার দাবি, এটাই ছিল কোনও যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীর প্রথম ‘সি ড্রোন’ ব্যবহার। গত রাতের এই অভিযানের মাধ্যমে হরমুজে ইরানের হামলার সক্ষমতা নষ্ট হয়েছে।

আরও পড়ুন:

ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, জলের উপর সাপের মতো একেবেঁকে এগিয়ে চলেছে একটি জলযান। বন্দর আব্বাসে ইরানি জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে ধাক্কা মারে সেটি। এরপরই ঘটে ভয়ংকর বিস্ফোরণ।

সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে যে ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে দেখা গিয়েছে, জলের উপর সাপের মতো একেবেঁকে এগিয়ে চলেছে একটি জলযান। বন্দর আব্বাসে ইরানি জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে ধাক্কা মারে সেটি। এরপরই ঘটে ভয়ংকর বিস্ফোরণ। আকাশ ছুঁয়ে ফেলে বিরাট আগুনের গোলা। হামলার জেরে ওই জাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রের একাংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, এই হামলা এমন সময়ে ঘটল যখন হরমুজের পথ দিয়ে চলা একের পর এক জাহাজে হামলা চালাতে শুরু করেছে ইরান। রবিবার সকালেও একটি জাহাজে হামলা চালায় ইরান। কন্টেনার বোঝাই সেই জাহাজে আগুন ধরে যায়। জাহাজ ছেড়ে পালিয়ে যান নাবিকরা। এদিকে, মঙ্গলবার ভোরে আমেরিকা নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরানের ওপর। এই নিয়ে টানা ৩ দিন হামলা হল ইরানের উপর। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন যে, আমেরিকা হরমুজ প্রণালীতে ফের ইরানি জাহাজের ওপর অবরোধ শুরু করছে। তিনি হরমুজ দিয়ে নিরাপদ যাতায়াতের বিনিময়ে অন্যান্য জাহাজের ওপরেও ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের নির্দেশ দেন। এর জবাবে ইরান বাহরিন, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর দুটি ট্যাঙ্কারকে নিশানা করে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *