জলে গেল রাহুলের সেঞ্চুরি, ‘নিয়মরক্ষা’র ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হার ভারতের

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


ভারত: ৩৫১/৭ (কেএল রাহুল ১২৯, রোহিত ৯২, জেডেন ৬২/৩, কিমো ৭১/২)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৩৫২/৫ (হোপ ১৬২, আমির ৬৭, নমন ৩৩/১, সিরাজ ৫২/১)
৫ উইকেটে জয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

৩৫১ রান করেও জেতা হল না ভারতের। কেএল রাহুলের অনবদ্য সেঞ্চুরিও জলে গেল। শাই হোপের অপরাজিত ১৬২ রানের ইনিংসে ভর করে ‘নিয়মরক্ষা’র ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৫ উইকেটে হার টিম ইন্ডিয়ার। কেবল রাহুল নন, রোহিত শর্মার ৯২ রানের ইনিংসও জলে। ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতলেও শেষ ম্যাচে দলের একাধিক দুর্বলতা সামনে এল।

আরও পড়ুন:

দু’দিন আগেই গুয়াহাটিতে ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জিতেছিল ভারত। শনিবার রেকর্ড গড়ল ক্যারিবিয়ান দল। তাদের ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে ম্যাচে এত রান তাড়া করে জয়ের নজির ছিল না। সিরিজ জিতে যাওয়ায় টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন শুভমান গিল। শুরুতে পিচে বোলারদের জন্য সামান্য সুবিধা ছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জোড়া ধাক্কা দেন জেইডেন সিলস। পরপর দু’বলে শুভমান (১) এবং বিরাট কোহলিকে (০) ফিরিয়ে দেন তিনি। রোহিতও শুরুতে নিজের স্বাভাবিক ছন্দে খেলতে পারেননি। রান উঠছিল ওভারপিছু তিনের কমে।

তবে ধীরে ধীরে ‘গিয়ার’ বদলান হিটম্যান। রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে রান তুলতে থাকেন তিনি। মনে হচ্ছিল, গুয়াহাটির পর এখানেও শতরান করবেন। কিন্তু ৮৫ বলে ৯২ রান করে কিমো পলের বলে আউট হন রোহিত। রুতুরাজ করেন ৫৭। তবে তাঁর চারবার জীবনদান পান তিনি। এক সময় মনে হচ্ছিল, ২৫০ রানও কঠিন। সেখান থেকে ম্যাচের মোড় ঘোরান রাহুল। নমন ধীর, নীতীশ রেড্ডি, অংশুল কম্বোজদের সঙ্গে জুটি গড়ে ইনিংস টেনে নিয়ে যান তিনি। চলতি সিরিজে প্রথমবার ব্যাট করার সুযোগ পেয়েই সেঞ্চুরি করেন। শেষ পর্যন্ত ৮৭ বলে ১২৯ রানে অপরাজিত থাকেন রাহুল। তাঁর ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ছ’টি ছক্কা। ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৫১ রান তোলে ভারত।

জবাবে শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিলেন হোপ। ভারতীয় দল অবশ্য তাঁকে শুরুতেই জীবন দেয়। ২০ রানও হওয়ার আগে তাঁর সহজ ক্যাচ ফেলেন গুর্নুর ব্রার। সেই সুযোগের খেসারত দিতে হল টিম ইন্ডিয়াকে। জন ক্যাম্পবেলকে ১০ রানে ফেরান মহম্মদ সিরাজ। কিন্তু আমির জাঙ্গু ফের একবার ভালো খেলেন। হোপের সঙ্গে ১০৯ রানের জুটি গড়ে ৬৭ রানে আউট হন তিনি। এরপর শারফেন রাদারফোর্ড ও কিমো পলের সঙ্গে জুটি বাঁধেন হোপ। রাদারফোর্ড ২৪ এবং পল ৪৪ রান করেন। একদিকে উইকেট পড়লেও টলানো যায়নি হোপকে।

শিশিরে বল ভিজে যাওয়ায় ভারতীয় বোলারদের কাজ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। মাঝের ওভারে উইকেট তুলতে পারেননি তাঁরা। শেষ পর্যন্ত ১০ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন হোপ। তাঁর অপরাজিত ১৪৩ বলে ১৬২ রানেই ভেঙে যায় ভারতের চুনকামের স্বপ্ন। এই ম্যাচ ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, হার্দিক পাণ্ডিয়ার মতো অলরাউন্ডারের অভাব কতটা বড় সমস্যা। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি পঞ্চম বোলারের অভাবও ভুগিয়েছে ভারতকে। হার্দিকের বিকল্প হিসেবে নীতীশ রেড্ডিকে তৈরি করার চেষ্টা হলেও এখনও সেই জায়গা পূরণ হয়নি। বিশ্বকাপের আগে এই সমস্যা দ্রুত মেরামত করতে না পারলে চাপ বাড়বে গৌতম গম্ভীরের দলের উপর।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *